রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধের মাঠে ইউক্রেনীয় টেনিস তারকা

  • আপডেটের সময়: ০৩:০৮:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ মার্চ ২০২২
  • / 416

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা গড়িয়েছে নবম দিনে। এখনো তীব্র লড়াই চলছে দেশ দুটির নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে। নিজদেশ ইউক্রেনকে রক্ষার লড়াইয়ে যোগ দিচ্ছেন অনেকে। এবার ইউক্রেনের সাবেক টেনিস খেলোয়াড় সের্গেই স্ট্যাখভস্কি যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন।

জানা গেছে, রাশিয়া ইউক্রেন আগ্রাসনের আগে গত সপ্তাহে ইউক্রেনের রিজার্ভ সেনাবাহিনীতে নাম লিখিয়েছেন স্ট্যাখভস্কি। তিনি বলেছেন যদিও তার সামরিক অভিজ্ঞতার অভাব, তবে বন্দুক চালাতে পারেন।

৩৬ বছর বয়সী স্টাখভস্কি টেনিসে চারটি এটিপি শিরোপা জিতেছিলেন। ২০১৩ সালে উইম্বলডনের দ্বিতীয় রাউন্ডে রজার ফেদেরারের বিরুদ্ধেও খেলেছিলেন। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি তিনি ইউক্রেনকে রক্ষা করতে হাতে অস্ত্র তুলে নেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন।

রাশিয়ার আগ্রাসন যখন শুরু হয় তখন ইউক্রেনীয় এই টেনিস তারকা পরিবারের সঙ্গে দুবাইয়ে ছিলেন। তিনি তার স্ত্রী ও তিন সন্তানকে হাঙ্গেরিতে রেখে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি এখন ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ রক্ষায় লড়াই করা সেনাদের একজন।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) সিএনএনকে তিনি জানান, তার লক্ষ্য হচ্ছে দেশের নাগরিক ও তার সন্তানদের জন্য ইউক্রেনকে নিরাপদ রাখা।

সূত্র: সিএনএন

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধের মাঠে ইউক্রেনীয় টেনিস তারকা

আপডেটের সময়: ০৩:০৮:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ মার্চ ২০২২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা গড়িয়েছে নবম দিনে। এখনো তীব্র লড়াই চলছে দেশ দুটির নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে। নিজদেশ ইউক্রেনকে রক্ষার লড়াইয়ে যোগ দিচ্ছেন অনেকে। এবার ইউক্রেনের সাবেক টেনিস খেলোয়াড় সের্গেই স্ট্যাখভস্কি যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন।

জানা গেছে, রাশিয়া ইউক্রেন আগ্রাসনের আগে গত সপ্তাহে ইউক্রেনের রিজার্ভ সেনাবাহিনীতে নাম লিখিয়েছেন স্ট্যাখভস্কি। তিনি বলেছেন যদিও তার সামরিক অভিজ্ঞতার অভাব, তবে বন্দুক চালাতে পারেন।

৩৬ বছর বয়সী স্টাখভস্কি টেনিসে চারটি এটিপি শিরোপা জিতেছিলেন। ২০১৩ সালে উইম্বলডনের দ্বিতীয় রাউন্ডে রজার ফেদেরারের বিরুদ্ধেও খেলেছিলেন। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি তিনি ইউক্রেনকে রক্ষা করতে হাতে অস্ত্র তুলে নেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন।

রাশিয়ার আগ্রাসন যখন শুরু হয় তখন ইউক্রেনীয় এই টেনিস তারকা পরিবারের সঙ্গে দুবাইয়ে ছিলেন। তিনি তার স্ত্রী ও তিন সন্তানকে হাঙ্গেরিতে রেখে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি এখন ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ রক্ষায় লড়াই করা সেনাদের একজন।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) সিএনএনকে তিনি জানান, তার লক্ষ্য হচ্ছে দেশের নাগরিক ও তার সন্তানদের জন্য ইউক্রেনকে নিরাপদ রাখা।

সূত্র: সিএনএন