তারুণ্যের ভাবনায় আগামীর পীরগঞ্জ

  • আপডেটের সময়: ১১:০১:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 594

মো: মেহেদুল ইসলাম মীম সরকার:

সুজলা-সুফলা এই বাংলার আকাশ যেদিন, দুচোখ মেলে দেখেছি সেদিন থেকে এই বাংলাকে ভালবাসতে শুরু করেছি।ধীরে ধীরে আল্লাহর অষেশ কৃপায় বাংলার সমাজে বড় হতে লাগলাম।এই বয়সে যতটুকু শিক্ষাজীবন পাড়ি দিয়েছি এবং তা থেকে যতটুকু জ্ঞান অর্জন করেছি আমার ছোট্ট মস্তিষ্ক দিয়ে তার পরিধি থেকে এই টুকু বুঝতে পেরেছি আমাদের মুক্তিযুদ্ধ যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে সংঘটিত হয়েছিল তা আজও বাস্তবায়িত হয়নি।

আমাদের দেশের কৃষক আজও ভাগ্যহত,অধিকার বঞ্চিত ও দরিদ্র। এদেশের বিচারের বাণী আজও নীরবে কাঁদে। আমাদের দেশের গণতন্ত্র আজও প্রত্যাশিত পথে বিকাশিত হতে পারেনি।একটি জাতির অর্জন, উন্নয়ন, অগ্রগতির জন্য ৫৪বছর নিতন্ত কম সময় নয়।

আমরা কি কবির সেই কবিতা খানি পড়িনি –
কত বুকের আহাজারি
বাংলার বাতাস করেছি ভারি
মা হারিয়েছে ছেলে,
ভাই হারিয়েছে বোন,
স্বাধীনতার ইতিহাসে গাথাঁ শুধুই ক্রন্দন
বধু দিয়েছে সিথির সিঁদুর,
নিকটের মানুষ করেছে দূর
অনেকেই পারেনি ফিরাতে হয়েছে মরণ
স্বাধীনতার ইতিহাসে গাঁথা শুধুই ক্রন্দন।

আমরা ইতিহাস জানি,দেশের গান শুনি তবুও আমরা কেন পারছিনা। আমি আমার ছোট্ট মস্তিষ্ক দিয়ে যতটুকু কারণ উদ্ভাবন করেছি তা হলো আমাদের মধ্যে পারস্পরিক বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা, প্রতিহিংসা,দূর্নীতি এবং স্বজন প্রীতি কাজ করে যাচ্ছে।তাই সোনার বাংলা গঠনের জন্য জনসচেতনাবৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ করে ছাত্র সমাজ এবং উদয়ীমান তরুণ সমাজকে নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে।কারণ এদেশের তরুণ প্রজন্ম যদি পারস্পরিক বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা প্রতিহিংসা বর্জন করে দূর্নীতি ও স্বজন প্রীতির বিরুদ্ধে অবস্থান করে এবং সমাজে যখনই অন্যায় অবিচার হবে তা যদি অসহযোগ আন্দোলন গড়ে তোলে,তাদের আন্দোলন যদি ব্যক্তি,দল ও সরকারের স্বার্থ রক্ষার জন্য না হয়।

তাহলে তাদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এদেশের প্রতিটি মানুষ বলব
একাত্তরের যুদ্ধ হয়েছিল
অস্ত্র দিয়ে
এবারের যুদ্ধ হবে কলম দিয়ে
দুর্নীতি করবো মুক্ত
সোনার বাংলাদেশ গড়ব।

আর তখনই আমাদের দেশে পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে গণতন্ত্র এবং আইনের শাসন। প্রত্যেকটি নাগরিক পূর্ণাঙ্গভাবে ফিরে পাবে তার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য মৌলিক অধিকার।৬৮ হাজার গ্রাম বাংলার বুকে তখনই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকবে হাসি,আনন্দ, থাকবে না প্রতিহিংসা, খুন, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি,ইভটিজিং ইত্যাদি। ৬৮ হাজার গ্রাম বাংলার এই পরিবেশ দেখে তখনই মনে হবে এযেন তিমির হরণে কবি জীবনানন্দের সেই চিরচেনা রূপসী বাংলা। তখনই সার্থকতা খুঁজে পাবে মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী,শেরে বাংলা একে ফজলুল হক, নবাব আব্দুল লতিফ,স্যার সলিমুল্লাহ, গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, স্বাধীনতা সংগ্রামের অগ্রদূত শহীদ তিতুমীর,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জিয়াউর রহমান ও লক্ষ শহীদের আমরণ সংগ্রাম ও রক্তদান।

স্বার্থকতা খুঁজে পাবে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংক কংকের “গেটিস বার্গের”সেই বিখ্যাত উক্তি “Democracy is a Government, of the people,by the people and for the people.” স্বার্থকতা খুঁজে পাবে চার্লস ল্যুই ব্যারেন মন্টেস্কুর The sprit of laws গ্রন্থের সেই বাণী “Political liberty does not consist in unlimited freedom but is a right of doing what ever the laws Permit.” তখনই স্বার্থকতা খুঁজে পাবে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেই অমর বাণী “আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি।”

একটি দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য প্রতিটি উপজেলার সমানভাবে অগ্রগতি প্রয়োজন। এই অবহেলিত উত্তর জনপদের অন্যতম আমাদের রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা এখন ও সত্যিকার অর্থে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ হলেও এখনো অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে আছে। তাই এই পীরগঞ্জের উন্নয়ন শুধু সরকারের দ্বায়িত্ব নয় বরং আমাদের তরুণ প্রজন্ম, ছাত্রসমাজ সহ প্রতিটি মানুষের নৈতিক দ্বায়িত্ব।পীরগঞ্জকে ৪৯৫ টি উপজেলার রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে পীরগঞ্জ উপজেলায় আধুনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গুলোকে আরো সমৃদ্ধি করতে হবে। এতে তরুণ প্রজন্ম আত্মনির্ভর হয়ে গড়ে উঠবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে।কৃষি প্রধান এই পীরগঞ্জের উন্নয়নের জন্য উন্নত কৃষি প্রযুক্তি, সেচ ব্যবস্থা, এবং কৃষিজ পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে তোলা দরকার। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, হস্তশিল্প ও উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী করা সম্ভব।মানুষের সুস্থ জীবনযাপনের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা অপরিহার্য। গ্রামীণ পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিক, আধুনিক হাসপাতাল, ওষুধের প্রাপ্যতা এবং দক্ষ ডাক্তার ও নার্স নিশ্চিত করতে হবে।ইন্টারনেট সুবিধা বাড়াতে হবে, যাতে গ্রামীণ মানুষও ডিজিটাল সেবার সুবিধা পায়।তরুণ প্রজন্মকে উন্নয়নের মূল শক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। খেলাধুলার মাঠ, লাইব্রেরি, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং তথ্যকেন্দ্র গড়ে তুললে তারা সঠিক পথে অগ্রসর হতে পারবে।পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বৃক্ষরোপণ এবং পরিবেশবান্ধব কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি।

পীরগঞ্জ উপজেলার উন্নয়ন মানেই এখানকার মানুষের জীবনমানের উন্নতি।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, যোগাযোগ ও সংস্কৃতির সমন্বিত বিকাশের মাধ্যমে পীরগঞ্জ একদিন সমৃদ্ধ ও আধুনিক উপজেলায় পরিণত হবে। আর এই উন্নয়নের নেতৃত্বে থাকবে এখানকার সচেতন তরুণ প্রজন্ম।তবেই আমরা স্বাধীনতার স্বার্থকতা খুজে পাবো।

লেখকঃ রিপোর্টার, বিডি সমাচার।

ট্যাগ :

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


তারুণ্যের ভাবনায় আগামীর পীরগঞ্জ

আপডেটের সময়: ১১:০১:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মো: মেহেদুল ইসলাম মীম সরকার:

সুজলা-সুফলা এই বাংলার আকাশ যেদিন, দুচোখ মেলে দেখেছি সেদিন থেকে এই বাংলাকে ভালবাসতে শুরু করেছি।ধীরে ধীরে আল্লাহর অষেশ কৃপায় বাংলার সমাজে বড় হতে লাগলাম।এই বয়সে যতটুকু শিক্ষাজীবন পাড়ি দিয়েছি এবং তা থেকে যতটুকু জ্ঞান অর্জন করেছি আমার ছোট্ট মস্তিষ্ক দিয়ে তার পরিধি থেকে এই টুকু বুঝতে পেরেছি আমাদের মুক্তিযুদ্ধ যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে সংঘটিত হয়েছিল তা আজও বাস্তবায়িত হয়নি।

আমাদের দেশের কৃষক আজও ভাগ্যহত,অধিকার বঞ্চিত ও দরিদ্র। এদেশের বিচারের বাণী আজও নীরবে কাঁদে। আমাদের দেশের গণতন্ত্র আজও প্রত্যাশিত পথে বিকাশিত হতে পারেনি।একটি জাতির অর্জন, উন্নয়ন, অগ্রগতির জন্য ৫৪বছর নিতন্ত কম সময় নয়।

আমরা কি কবির সেই কবিতা খানি পড়িনি –
কত বুকের আহাজারি
বাংলার বাতাস করেছি ভারি
মা হারিয়েছে ছেলে,
ভাই হারিয়েছে বোন,
স্বাধীনতার ইতিহাসে গাথাঁ শুধুই ক্রন্দন
বধু দিয়েছে সিথির সিঁদুর,
নিকটের মানুষ করেছে দূর
অনেকেই পারেনি ফিরাতে হয়েছে মরণ
স্বাধীনতার ইতিহাসে গাঁথা শুধুই ক্রন্দন।

আমরা ইতিহাস জানি,দেশের গান শুনি তবুও আমরা কেন পারছিনা। আমি আমার ছোট্ট মস্তিষ্ক দিয়ে যতটুকু কারণ উদ্ভাবন করেছি তা হলো আমাদের মধ্যে পারস্পরিক বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা, প্রতিহিংসা,দূর্নীতি এবং স্বজন প্রীতি কাজ করে যাচ্ছে।তাই সোনার বাংলা গঠনের জন্য জনসচেতনাবৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ করে ছাত্র সমাজ এবং উদয়ীমান তরুণ সমাজকে নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে।কারণ এদেশের তরুণ প্রজন্ম যদি পারস্পরিক বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা প্রতিহিংসা বর্জন করে দূর্নীতি ও স্বজন প্রীতির বিরুদ্ধে অবস্থান করে এবং সমাজে যখনই অন্যায় অবিচার হবে তা যদি অসহযোগ আন্দোলন গড়ে তোলে,তাদের আন্দোলন যদি ব্যক্তি,দল ও সরকারের স্বার্থ রক্ষার জন্য না হয়।

তাহলে তাদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এদেশের প্রতিটি মানুষ বলব
একাত্তরের যুদ্ধ হয়েছিল
অস্ত্র দিয়ে
এবারের যুদ্ধ হবে কলম দিয়ে
দুর্নীতি করবো মুক্ত
সোনার বাংলাদেশ গড়ব।

আর তখনই আমাদের দেশে পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে গণতন্ত্র এবং আইনের শাসন। প্রত্যেকটি নাগরিক পূর্ণাঙ্গভাবে ফিরে পাবে তার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য মৌলিক অধিকার।৬৮ হাজার গ্রাম বাংলার বুকে তখনই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকবে হাসি,আনন্দ, থাকবে না প্রতিহিংসা, খুন, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি,ইভটিজিং ইত্যাদি। ৬৮ হাজার গ্রাম বাংলার এই পরিবেশ দেখে তখনই মনে হবে এযেন তিমির হরণে কবি জীবনানন্দের সেই চিরচেনা রূপসী বাংলা। তখনই সার্থকতা খুঁজে পাবে মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী,শেরে বাংলা একে ফজলুল হক, নবাব আব্দুল লতিফ,স্যার সলিমুল্লাহ, গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, স্বাধীনতা সংগ্রামের অগ্রদূত শহীদ তিতুমীর,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জিয়াউর রহমান ও লক্ষ শহীদের আমরণ সংগ্রাম ও রক্তদান।

স্বার্থকতা খুঁজে পাবে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংক কংকের “গেটিস বার্গের”সেই বিখ্যাত উক্তি “Democracy is a Government, of the people,by the people and for the people.” স্বার্থকতা খুঁজে পাবে চার্লস ল্যুই ব্যারেন মন্টেস্কুর The sprit of laws গ্রন্থের সেই বাণী “Political liberty does not consist in unlimited freedom but is a right of doing what ever the laws Permit.” তখনই স্বার্থকতা খুঁজে পাবে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেই অমর বাণী “আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি।”

একটি দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য প্রতিটি উপজেলার সমানভাবে অগ্রগতি প্রয়োজন। এই অবহেলিত উত্তর জনপদের অন্যতম আমাদের রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা এখন ও সত্যিকার অর্থে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ হলেও এখনো অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে আছে। তাই এই পীরগঞ্জের উন্নয়ন শুধু সরকারের দ্বায়িত্ব নয় বরং আমাদের তরুণ প্রজন্ম, ছাত্রসমাজ সহ প্রতিটি মানুষের নৈতিক দ্বায়িত্ব।পীরগঞ্জকে ৪৯৫ টি উপজেলার রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে পীরগঞ্জ উপজেলায় আধুনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গুলোকে আরো সমৃদ্ধি করতে হবে। এতে তরুণ প্রজন্ম আত্মনির্ভর হয়ে গড়ে উঠবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে।কৃষি প্রধান এই পীরগঞ্জের উন্নয়নের জন্য উন্নত কৃষি প্রযুক্তি, সেচ ব্যবস্থা, এবং কৃষিজ পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে তোলা দরকার। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, হস্তশিল্প ও উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী করা সম্ভব।মানুষের সুস্থ জীবনযাপনের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা অপরিহার্য। গ্রামীণ পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিক, আধুনিক হাসপাতাল, ওষুধের প্রাপ্যতা এবং দক্ষ ডাক্তার ও নার্স নিশ্চিত করতে হবে।ইন্টারনেট সুবিধা বাড়াতে হবে, যাতে গ্রামীণ মানুষও ডিজিটাল সেবার সুবিধা পায়।তরুণ প্রজন্মকে উন্নয়নের মূল শক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। খেলাধুলার মাঠ, লাইব্রেরি, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং তথ্যকেন্দ্র গড়ে তুললে তারা সঠিক পথে অগ্রসর হতে পারবে।পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বৃক্ষরোপণ এবং পরিবেশবান্ধব কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি।

পীরগঞ্জ উপজেলার উন্নয়ন মানেই এখানকার মানুষের জীবনমানের উন্নতি।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, যোগাযোগ ও সংস্কৃতির সমন্বিত বিকাশের মাধ্যমে পীরগঞ্জ একদিন সমৃদ্ধ ও আধুনিক উপজেলায় পরিণত হবে। আর এই উন্নয়নের নেতৃত্বে থাকবে এখানকার সচেতন তরুণ প্রজন্ম।তবেই আমরা স্বাধীনতার স্বার্থকতা খুজে পাবো।

লেখকঃ রিপোর্টার, বিডি সমাচার।