ইসলামী আন্দোলনের চাঁদপুর জেলা সভাপতি মাও.মাকসুদুর রহমান আর নেই

  • আপডেটের সময়: ০১:৪৪:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • / 25

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান (৪৫) আর নেই। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় রাজধানীর ঢাকা আল-কারীম জেনারেল হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন কন্যা, দুই পুত্রসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে ইসলামী আন্দোলনের রাজনীতি ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকেই পীর সাহেব চরমোনাইয়ের নেতৃত্বাধীন ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে তার সাংগঠনিক পথচলার শুরু। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সংগঠনের জেলা সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

এর আগে তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

চাঁদপুর জেলা সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের আগে ঢাকায় অবস্থানকালে তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহানগর দক্ষিণ শাখার বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক জীবনে চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একজন পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য সংগঠক হিসেবে তার ব্যাপক পরিচিতি ছিল।

রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তিনি ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন। তিনি মাহির প্রিন্টার্সের স্বত্বাধিকারী ছিলেন। প্রিন্টিং ব্যবসায় মাহির প্রিন্টার্স ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।

তার মৃত্যুতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একজন অভিজ্ঞ সংগঠক ও নিবেদিতপ্রাণ ইসলামী আন্দোলনের কর্মী হিসেবে তার মৃত্যুতে সংগঠন একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে হারাল বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

তার মৃত্যুতে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে।

ট্যাগ :

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


ইসলামী আন্দোলনের চাঁদপুর জেলা সভাপতি মাও.মাকসুদুর রহমান আর নেই

আপডেটের সময়: ০১:৪৪:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান (৪৫) আর নেই। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় রাজধানীর ঢাকা আল-কারীম জেনারেল হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন কন্যা, দুই পুত্রসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে ইসলামী আন্দোলনের রাজনীতি ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকেই পীর সাহেব চরমোনাইয়ের নেতৃত্বাধীন ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে তার সাংগঠনিক পথচলার শুরু। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সংগঠনের জেলা সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

এর আগে তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

চাঁদপুর জেলা সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের আগে ঢাকায় অবস্থানকালে তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহানগর দক্ষিণ শাখার বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক জীবনে চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একজন পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য সংগঠক হিসেবে তার ব্যাপক পরিচিতি ছিল।

রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তিনি ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন। তিনি মাহির প্রিন্টার্সের স্বত্বাধিকারী ছিলেন। প্রিন্টিং ব্যবসায় মাহির প্রিন্টার্স ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।

তার মৃত্যুতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একজন অভিজ্ঞ সংগঠক ও নিবেদিতপ্রাণ ইসলামী আন্দোলনের কর্মী হিসেবে তার মৃত্যুতে সংগঠন একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে হারাল বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

তার মৃত্যুতে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে।