মহার্ঘ ভাতার সঙ্গে ভ্যাট বাড়ানোর সম্পর্ক নেই : অর্থ উপদেষ্টা

  • আপডেটের সময়: ১১:৪৯:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 224

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মহার্ঘ ভাতার সঙ্গে ভ্যাট বাড়ানোর কোনো সম্পর্ক নেই বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, মহার্ঘ ভাতা যদি দিই সেটা আলাদা হিসাব করব।

বুধবার (২২ জানুয়ারি) সচিবালয়ে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, কারো প্রেসক্রিপশন বা মহার্ঘ ভাতার জন্য ভ্যাট বাড়ানো হয়নি। রাজস্ব আয় বাড়াতেই ভ্যাট বাড়ানো হয়েছে।

ভ্যাট প্রসঙ্গে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশ হচ্ছে সবচেয়ে লোয়েস্ট ট্যাক্স পেয়িং কান্ট্রি। এলডিসির চেয়েও আমাদের ট্যাক্স কম। ভুটান, নেপাল, আইভরি কোস্ট, বুরকিনা ফাসোর চেয়েও কম।

এত কম ট্যাক্স দিয়ে কীভাবে চান যে আপনাকে সব কিছু দেব? এটা এক্সপেক্ট করা ঠিক হয় না।’

ব্যয়ের দিকে সরকার সাশ্রয়ী হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ব্যয়ের দিকটায় আমরা সাশ্রয়ী হবো। অনেক অপ্রয়োজনীয় সরকারি ব্যয় আছে। পাঁচ বছরের প্রকল্প ১০ বছর নিয়ে যাচ্ছে। বড় বড় প্রকল্প আছে যেখানে খরচ হওয়ার কথা ছিল ২৫ হাজার কোটি টাকা, খরচ হয়েছে ৫২ হাজার কোটি টাকা। টাকা কোথায় থেকে আসবে, এগুলো তো আমাদের শোধ দিতে হবে।’

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


মহার্ঘ ভাতার সঙ্গে ভ্যাট বাড়ানোর সম্পর্ক নেই : অর্থ উপদেষ্টা

আপডেটের সময়: ১১:৪৯:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মহার্ঘ ভাতার সঙ্গে ভ্যাট বাড়ানোর কোনো সম্পর্ক নেই বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, মহার্ঘ ভাতা যদি দিই সেটা আলাদা হিসাব করব।

বুধবার (২২ জানুয়ারি) সচিবালয়ে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, কারো প্রেসক্রিপশন বা মহার্ঘ ভাতার জন্য ভ্যাট বাড়ানো হয়নি। রাজস্ব আয় বাড়াতেই ভ্যাট বাড়ানো হয়েছে।

ভ্যাট প্রসঙ্গে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশ হচ্ছে সবচেয়ে লোয়েস্ট ট্যাক্স পেয়িং কান্ট্রি। এলডিসির চেয়েও আমাদের ট্যাক্স কম। ভুটান, নেপাল, আইভরি কোস্ট, বুরকিনা ফাসোর চেয়েও কম।

এত কম ট্যাক্স দিয়ে কীভাবে চান যে আপনাকে সব কিছু দেব? এটা এক্সপেক্ট করা ঠিক হয় না।’

ব্যয়ের দিকে সরকার সাশ্রয়ী হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ব্যয়ের দিকটায় আমরা সাশ্রয়ী হবো। অনেক অপ্রয়োজনীয় সরকারি ব্যয় আছে। পাঁচ বছরের প্রকল্প ১০ বছর নিয়ে যাচ্ছে। বড় বড় প্রকল্প আছে যেখানে খরচ হওয়ার কথা ছিল ২৫ হাজার কোটি টাকা, খরচ হয়েছে ৫২ হাজার কোটি টাকা। টাকা কোথায় থেকে আসবে, এগুলো তো আমাদের শোধ দিতে হবে।’