২০২৫ সালের শেষের দিকে নির্বাচন হতে পারে: প্রধান উপদেষ্টা

  • আপডেটের সময়: ১১:১৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪
  • / 233

প্রধান উপদেষ্টা

জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, রাজনৈতিক ঐকমত্যের ফলে যদি অল্প কিছু সংস্কারের পর নির্ভুল ভোটারতালিকা প্রণয়ণের পরই নির্বাচন করতে হয়, তাহলে হয়তো ২০২৫ সালের শেষের দিকে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব হতে পারে।

তিনি আরও বলেছেন, রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে যদি প্রত্যাশিত মাত্রার সংস্কার যোগ করি তাহলে হয়তো আরও ৬ মাস অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে। মোটাদাগে বলা যায়, ২০২৫ সালের শেষ থেকে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধের মধ্যে নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা যায়।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সোমবার সকাল ১০টায় জাতীর উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ কথা বলেন ড. ইউনূস।

জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, রাজনৈতিক ঐকমত্যের ফলে যদি অল্প কিছু সংস্কারের পর নির্ভুল ভোটারতালিকা প্রণয়ণের পরই নির্বাচন করতে হয়, তাহলে হয়তো ২০২৫ সালের শেষের দিকে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব হতে পারে।

তিনি আরও বলেছেন, রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে যদি প্রত্যাশিত মাত্রার সংস্কার যোগ করি তাহলে হয়তো আরও ৬ মাস অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে। মোটাদাগে বলা যায়, ২০২৫ সালের শেষ থেকে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধের মধ্যে নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা যায়।

প্রবাসীদের ভোট দেওয়ার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এবার আমরা প্রবাসীদের ভোট দেওয়া নিশ্চিত করতে চাই। এই সরকারের আমলে এটা যেন প্রথমবারের মতো বাস্তবায়িত হয় এটা আমরা নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য একটা নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা করতে হবে।

এসময় তিনি বলেন, সব কিছুই সময়সাপেক্ষ ব্যাপার।

দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। সেই টাকা এখন দেশে গোলযোগ সৃষ্টির কাজে, সংহতি বিনষ্টের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


২০২৫ সালের শেষের দিকে নির্বাচন হতে পারে: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেটের সময়: ১১:১৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪

জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, রাজনৈতিক ঐকমত্যের ফলে যদি অল্প কিছু সংস্কারের পর নির্ভুল ভোটারতালিকা প্রণয়ণের পরই নির্বাচন করতে হয়, তাহলে হয়তো ২০২৫ সালের শেষের দিকে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব হতে পারে।

তিনি আরও বলেছেন, রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে যদি প্রত্যাশিত মাত্রার সংস্কার যোগ করি তাহলে হয়তো আরও ৬ মাস অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে। মোটাদাগে বলা যায়, ২০২৫ সালের শেষ থেকে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধের মধ্যে নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা যায়।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সোমবার সকাল ১০টায় জাতীর উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ কথা বলেন ড. ইউনূস।

জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, রাজনৈতিক ঐকমত্যের ফলে যদি অল্প কিছু সংস্কারের পর নির্ভুল ভোটারতালিকা প্রণয়ণের পরই নির্বাচন করতে হয়, তাহলে হয়তো ২০২৫ সালের শেষের দিকে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব হতে পারে।

তিনি আরও বলেছেন, রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে যদি প্রত্যাশিত মাত্রার সংস্কার যোগ করি তাহলে হয়তো আরও ৬ মাস অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে। মোটাদাগে বলা যায়, ২০২৫ সালের শেষ থেকে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধের মধ্যে নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা যায়।

প্রবাসীদের ভোট দেওয়ার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এবার আমরা প্রবাসীদের ভোট দেওয়া নিশ্চিত করতে চাই। এই সরকারের আমলে এটা যেন প্রথমবারের মতো বাস্তবায়িত হয় এটা আমরা নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য একটা নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা করতে হবে।

এসময় তিনি বলেন, সব কিছুই সময়সাপেক্ষ ব্যাপার।

দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। সেই টাকা এখন দেশে গোলযোগ সৃষ্টির কাজে, সংহতি বিনষ্টের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।