Friday, January 21, 2022
Homeআন্তর্জাতিকঅন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না তালেবান সরকার

অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না তালেবান সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ 

আফগানিস্তানের ক্ষমতাসীন অন্তর্বর্তী তালেবান সরকার অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না। শনিবার এ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তালেবান সরকারের প্রধানমন্ত্রী মোল্লা মোহাম্মদ হাসান আখুন্দ।

শনিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে তার অডিও বক্তব্য প্রচার করা হয়।

হাসান আখুন্দ তালেবানের সহপ্রতিষ্ঠাতা। গত মধ্য আগস্টে তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে। পরের মাসে তারা অন্তর্র্বতী সরকার গঠনের ঘোষণা দেয়। তালেবানের সরকার গঠনের পর এই প্রথম জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন হাসান আখুন্দ। কাতারের দোহায় আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের মধ্যে বৈঠক হতে যাচ্ছে। এ বৈঠক সামনে রেখে হাসান আখুন্দ ভাষণ দিলেন। তালেবান সরকারের প্রধানমন্ত্রী প্রায় ৩০ মিনিট ভাষণ দেন। এদিন আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলোকে যুদ্ধ বিধ্বস্ত আফগানিস্তানে আরও বেশি সহায়তা দেয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

বলেন, ‘সব দেশকে আশ্বস্ত করছি যে আমরা তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করব না। আমরা তাদের সঙ্গে ভালো অর্থনৈতিক সম্পর্ক রাখতে চাই।’

তালেবানের হাতে ক্ষমতা যাওয়ার পর আফগান জনগণের সংকট আরও বেড়েছে। তালেবান সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী হাসান আখুন্দ জাতির উদ্দেশে ভাষণ না দেয়ায় এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা হচ্ছিল। তালেবান সরকারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সমস্যায় নিমজ্জিত। আমরা আল্লাহর সাহায্যে আমাদের জনগণকে দুঃখকষ্ট-কষ্ট থেকে বের করে আনার শক্তি অর্জনের চেষ্টা করছি।’

তিনি আরও বলেন, আমরা আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলোকে বলছি, সহায়তা আটকে রাখবেন না। ক্লান্ত এ জাতিকে সহযোগিতা করুন, যাতে জনগণের সমস্যার সমাধান হয়। আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থাগুলোকে যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানকে সহায়তা প্রদান চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন হাসান আখুন্দ।

তালেবান সরকারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সব আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থাকে তাদের সাহায্য বন্ধ না করার জন্য বলছি। আমাদের ক্ষয়প্রাপ্ত জাতিকে সাহায্য করার জন্য বলছি, যাতে জনগণের সমস্যার সমাধান করা যায়। হাসান আখুন্দ জোর দিয়ে বলেন, আফগানিস্তান যেসব সমস্যার সম্মুখীন, তা দেশটির বিগত সরকারগুলোর কর্মফল।

তালেবান কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকেই দেশটিতে মূদ্রাস্ফীতি ও বেকারত্ব বেড়েছে। দেশের ব্যাংকিং খাত একেবারেই ধসে পড়েছে বলা চলে। ওয়াশিংটন কাবুলের প্রায় ১০ বিলিয়ন সম্পদ জব্দ করার পরে আর্থিক সংকট আরও বেড়ে যায়। এর পর বিশ্বব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল আফগানিস্তানের তহবিলে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দিলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়। সূত্র : ডয়চে ভেলে

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular