মোঃ আব্দুল মালেক, রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার কালীগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বাবলু মন্ডলের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। সোমবার সকালে কালীগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বাবলু মন্ডল এই সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সিরাজুল ইসলাম বাবলু মন্ডল বলেন, কয়েকটি পত্রিকায় “প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর দেয়ার নামে কোটি টাকা আতœসাৎ” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। সংবাদে উল্লেখ করা হয় যে, বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে হত দরিদ্র গরীব অসহায় মানুষদের বিনা খরচে পাকা ঘর নির্মান করে দেয়ার উদ্যোগ গ্রহন করে সরকার। সেই প্রকল্পের ঘর দেয়ার নাম করে কালীগ্রাম ইউনিয়নের সকল গ্রাম থেকে তিন শতাধীক সুবিধাভোগীর কাছ থেকে ৪০/৫০ হাজার টাকা নেয়া হয়েছে। ইউপি সদস্যদের সহযোগিতায় চেয়ারম্যান টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে সংবাদে উল্লেখ করা হয়। যা সম্পন্ন মিথ্যে, ভিত্তীহিন এবং বানোয়াট দাবি করে চেয়ারম্যান বলেন সামনে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। ওই নির্বাচনকে ঘিরে কিছু অসাধু চক্র চক্রান্ত করে আমার ইমেজ ক্ষুন্ন করতে কতিপয় লোকজনকে লেলিয়ে দিয়ে অসত্য তথ্য তুলে ধরে আমার এবং আমার পরিষদের সদস্যদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করেছে।

তিনি প্রকৃত তথ্য তুলে ধরে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে হত দরিদ্রদের জন্য পাকা ঘর নির্মান প্রকল্পের আওতায় রাণীনগর উপজেলায় মাত্র এক মাস আগে মোট ৯০ টি ঘর বরাদ্দ এসেছে। যা এখনও ইউনিয়ন ভিত্তিক বন্টন করা হয়নি। সেহেতু এই প্রকল্পকে সামনে রেখে দুই বছর আগে থেকে টাকা নেয়ার বিষয়টি অবাস্তব বলে জানান তিনি। এছাড়া ঘরের বরাদ্দ পাওয়া গেলে প্রকৃত হত দরিদ্রদেরকে বাছাই করে বিনা পয়সায় ঘর পাওয়ার ব্যবস্থা করতে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করব বলে জানিয়েছেন। এসময় প্রকাশিত সংবাদ মিথ্যে, ভিত্তিহীন, বানোয়াট দাবি করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

সংবাদ সম্মেলনে অত্র ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার শহিদুজ্জামান আকন্দ রুবিন, আনোয়ার হোসেন রাজু, হেলাল উদ্দীন মন্ডল, আব্দুল গফুর, মহিলা সদস্য হাফিজা চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে সদস্য আনোয়ার হোসেন রাজু, শহিদুজ্জামান রুবিন ও হাফিজা চৌধুরী জানান, তাদরে বক্তব্য বিকৃত করে সংবাদে উপস্থাপন করা হয়েছে। তারাও প্রকাশিত সংবাদের নিন্দা জ্ঞাপন করেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বাবলু মন্ডল, ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন রাজুসহ কয়েকজন সদস্য বলেন, সংবাদ প্রকাশের আগে তাদের কাছে ওই সকল সাংবাদিকরা টাকা চেয়ে না পাওয়ায় এবং অসাধু ব্যক্তিদের ইন্দনে মিথ্যে সংবাদ প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত সংবাদে মানহানী হওয়ায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানানো হয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

seventeen + seven =