স্পোর্টস ডেস্ক:

হারলেই বিদায়। এমন কঠিন সমীকরণের ম্যাচে দুর্দান্ত জয় পেয়েছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের নেতৃত্বাধীন দল। তামিম ইকবালের একাদশের বিপক্ষে ৪ উইকেটের জয়ে ফাইনালের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের নেতৃত্বাধীন একাদশ।

পরের ম্যাচে তামিম ইকবাল যদি নাজমুল হোসেন শান্ত একাদশের বিপক্ষে হেরে যায় তাহলে প্রেসিডেন্টস কাপের ফাইনালে খেলবে শান্ত বনাম মাহমুদউল্লাহ একাদশ।

তবে নিজেদের শেষ খেলায় তামিমরা যদি শান্তদের বিপক্ষে জয় পায় তাহলে  তিন দলের পয়েন্ট সমান চার হবে।  সেই ক্ষেত্রে হেড টু হেড এবং রান রেটে যে দুই দল এগিয়ে থাকবে তারা ফাইনালে খেলবে।

সোমবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে রুবেল হোসেনের গতির মুখে পড়ে ১৭ রানে তানজিদ হাসান, তামিম ইকবাল, এনামুল হক বিজয় ও মোহাম্মদ মিঠুনের উইকেট হারিয়ে চরম বিপদে পরে যায় তামিম একাদশ।

দলের এমন কঠিন পরিস্থিতিতে হাল ধরেন ইয়াসির আলী ও মেহেদি ইসলাম অঙ্কন। পঞ্চম উইকেটে তাদের গড়া ১১১ রানের জুটিতে খেলায় ফিরে তামিম একাদশ।  শেষ পর্যন্ত  ইয়াসির আলীর ৬২, মেহেদি ইসলাম অঙ্কনের ৫৭, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ৪০ আর মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের ৩৮ রানের সুবাদে ৮ উইকেটে ২২১ রান করে তামিম একাদশ।

এরপর বৃষ্টির কারণে বেশ কিছু সময় খেলা বন্ধ থাকে।  বৃষ্টির পর খেলা শুরু হলে মাত্র ৮ রানে দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম ও লিটন দাসের উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় মাহমুদউল্লাহ একাদশ।

তৃতীয় উইকেটে মাহমুদুল হাসান জয়কে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস মেরামত করেন জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান ইমরুল কায়েস।  তারা গড়েন ৮৪ রানের জুটি।  ব্যক্তিগত ৪৯ রানে ফেরেন কায়েস। এরপর অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে সঙ্গে নিয়ে ফের ৫৬ রানের জুটি গড়তেই বিপদে পড়েন মাহমুদুল হাসান।  তিনি ফেরেন ৫৮ রানে।

ছয় নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নামা উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান নুরুল হাসান সোহানের সঙ্গে ৬৫ রানের জুটি গড়েন রিয়াদ।  এরপর মাত্র ৮ রানের ব্যবধানে ফেরেন মাহমুদউল্লাহ (৬৭) ও সাব্বির রহমান রুম্মন।  তবে মেহেদী হাসান মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে পাঁচ বল হাতে রেখেই দলের জয় নিশ্চিত করেন নুরুল হাসান সোহান।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

five × three =