নিজস্ব প্রতিবেদক: 

রাজধানীতে পশু কোরবানির জন্য ৩২৯ টি স্থান নির্ধারণ করেছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। গতবারের চেয়ে এবার পশু কোরবানির স্থান কমেছে ৪৪৬ টি। এদিকে, কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে ১১ হাজার ৫শ কর্মী মাঠে থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম। এছাড়া, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশু কোরবানি দিতে সবাইকে উৎসাহিত করছেন।

যেখানে সেখানে পশু কোরবানি করলে পরিবেশ নষ্ট এবং বর্জ্য সংগ্রহেও সমস্যা হয়। তাই, এবারও জায়গা নির্দিষ্ট করে দিয়েছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। করোনা পরিস্থিতির কারণে আগের তুলনায় পশু কোরবানির স্থানও কমানো হয়েছে।

গতবার ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৫০২ এবং উত্তর সিটি করপোরেশনে ২৭৩ টি স্থান নির্ধারণ করা হলেও এবার দুই সিটিতেই কমেছে পশু কোরবানির নির্ধারিত জায়গা। শুধু দক্ষিণ সিটিতেই কমেছে চারশোরও বেশি স্থান।

জনপ্রতিনিধিরা জানান, ব্যক্তিগতভাবে পশু কোরবানি হলেও সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানা ও পরিচ্ছন্নতার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে।

আর উত্তর সিটি করপোরেশন গতবার ২৭৩ টি নির্ধারিত জায়গা ঠিক করলেও এবার কিছুটা কমেছে। তবে স্থান সংকটের কারণে এখনো ঢাকা উত্তর সিটির ২১ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ডে তৈরি হয়নি নির্ধারিত স্থান জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর ২৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফরিদুর রহমান খান ইরান।

এদিকে, অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম জানান, প্রান্তিক চাষী ও নতুন উদ্যোক্তাদের কথা বিবেচনা করে ভবিষ্যতেও অনলাইন হাটের উদ্যোগ নেয়া হবে।

রাজধানীর দুই সিটির প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রস্তুত রাখা হয়েছে বর্জ্য অপসারণে ট্রাক। সরবরাহ করা হয়েছে ব্লিচিং পাউডার ও পলিব্যাগ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে