শিক্ষকদের প্রয়োজন প্রশিক্ষণ, শিক্ষার্থীরা চান বিনে পয়সায় ইন্টারনেট।

কিছু শিক্ষকের প্রযুক্তি জ্ঞানের অভাব- শিক্ষার্থীদের সবার ইন্টারনেট ব্যবহারের খরচ যোগানোর সংশয়। ফলে পাবলিক  বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত কতটুকু সফল হবে তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। ইউজিসির এক গবেষণায় প্রায় ৮৭ শতাংশ শিক্ষার্থীর স্মার্ট ফোন ব্যবহারের কথা বললেও, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগগুলোর আলাদা জরিপ বলছে এ সংখ্যা আরো অনেক কম।

করোনায় সৃষ্ট সেশনজট কমাতে দেশের ৪৬ টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইনে ক্লাস গ্রহণের সিদ্বান্ত নেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশনের সঙ্গে অন লাইন বৈঠকটিতে উপস্থিত ছিলেন দেশের  সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।

জাতীয় কবি কাজি নজরুল ইস;লাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নেটওয়ার্ক সমস্যা, বিদ্যুত, স্মার্টফোন এবং ল্যাপটপের এসব কারণে আমাদের অনলাইনে পাঠদান করানোটা খুবই কষ্টকর।

শিক্ষার্থীরাও ফিরতে চান ক্লাস -পরীক্ষায়। তবে তারা বলছেন  অংশগ্রহণমূলক করতে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সরবরাহসহ অন্যান্য সমস্যা সমাধান না করলে তার ফল আসবে না।

শিক্ষার্থীরা জানান, ইন্টারনেট ব্যবহারে অর্থ এবং সামগ্রীর সঠিক সরবরাহ আমাদের নেই। এছাড়া যারা প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকে তাদের ইন্টারনেটের কানেকশন পেতেও অনেক বেগ পেতে হয়।

আর শিক্ষকদের কেউ কেউ বলছেন তাদের নিজেদের প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণের দরকার আছে। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষকদের প্রযুক্তির ব্যবহারে দক্ষ করতে প্রশিক্ষণও দিচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড.কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য স্পেশাল ডাটা প্যাকেজ চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ রয়েছে ক্যাম্পাসের বাইরে। দেশের প্রত্যন্ত অনেক এলাকায় ইন্টারনেটের সহজলভ্যতারও অভাব রয়েছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে