মোঃ সাইফুদ্দিনঃ

করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলেও শিক্ষার্থীরা বাইরে ঘুরছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে বন্ধকালীন শিক্ষার্থীদের বাড়িতে থাকা নিশ্চিত করার জন্য কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বুধবার (১৮ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক চিঠিতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান, সব বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি), দেশের সব মেয়র, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, সব জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করেছে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বাসায় থাকতে বলেছিল সরকার। কিন্তু সে নির্দেশ না মেনে অনেকেই শিশুদের নিয়ে বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, এমনকি পরিবারসহ কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে উন্মুক্তভাবে ঘুরছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে শিক্ষার্থীদের করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে।

করোনাভাইরাসের কারণে প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। গত সোমবার মন্ত্রিসভা এই সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর থেকেই ঘুরে বেড়ানোর অভিযোগটি সামনে আসে।

এ ছাড়া বেশির ভাগ কোচিং সেন্টার বন্ধ করা হলেও কোনো কোনো কোচিং সেন্টার নির্দেশ অমান্য করে কোচিং চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বরিশাল নগরে একটি কোচিং সেন্টারের কার্যক্রম চলায় আজ ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই কোচিং সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে পাঁচ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। নীলফামারীর সৈয়দপুরেও কোচিং পরিচালনা করায় দুটি কোচিং সেন্টারকে মোট ছয় হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রাজধানীর বেশির ভাগ কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকলেও ফার্মগেট এলাকায় একটি কোচিং সেন্টার খোলা ছিল। অবশ্য সেখানে শিক্ষার্থী ছিল হাতে গোনা। রাজধানীতে কোনো কোনো শিক্ষক প্রাইভেট পড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ করা হলেও কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের আসতে বলা হয়েছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে