রোববার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে বিরতিহীন ভাবে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

আমতলী স্টাফ ওয়েলফেয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংশি­ষ্টরা জানান, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এই তিনটি শ্রেণির ১৯১ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১২৭ জন ভোট প্রদান করে। ভোটারের উপস্থিতির হার ৬৭ শতংশ। অত্যন্ত  দক্ষতার সঙ্গে নির্বাচন পরিচালনা করে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুদিঠি বিনতে সাখাওয়াত। নির্বাচন পরিচালনায় তাকে সার্বিক সহায়তা করেছে ৩ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৬ জন পোলিং অফিসার এবং এক প্লাটুন আনসার।

নির্বাচন পরিদর্শন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদফতরের বিভাগীয় উপ-পরিচালক ইফতেখারুল ইসলাম ভূইয়া, ঢাকা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আলেয়া ফেরদৌসি, গুলশান থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাদিয়া আফরোজ। এসময় বিদ্যালয়ের প্রধন শিক্ষক অন্যান্য শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

ভোট গণনা শেষে বিজয়ী ও পরাজিত উভয় প্রার্থীগণ একসঙ্গে বিদ্যালয়ের ও শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মো: আতাউর রহমান জানান, চলতি বছর ৬৩ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্টুডেন্টস কাউন্সিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মোট ৭৬ লাখ ৬২ হাজারের বেশি খুদে ভোটার এ নির্বাচনে ভোট দিয়েছে। আট লাখ ২৭ হাজারের বেশি প্রার্থী স্টুডেন্টস কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নেয়।

তিনি বলেন, শিশুকাল থেকেই গণতন্ত্র চর্চা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শিক্ষার্থীদের শ্রদ্ধাশীল হওয়া, অন্যের প্রতি সহিষ্ণুতা বৃদ্ধি, ঝরে পড়া রোধে সহযোগিতার লক্ষ্যে প্রাথমিকেও স্টুডেন্টস কাউন্সিল গঠনের গুরুত্ব অপরিসীম।

বাংলাদেশে ২০১০ সালে স্টুডেন্টস কাউন্সিলের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর ২০১৩ সাল থেকে সারা দেশে স্টুডেন্টস কাউন্সিল গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সে পরিপ্রেক্ষিতে এ বছরও স্টুডেন্টস কাউন্সিল নির্বাচনের আয়োজন করা হচ্ছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে