জুয়েল রানা,জিটিসি প্রতিনিধিঃ

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সরকারী তিতুমীর কলেজে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছে সংগঠনটি।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট তিতুমীর কলেজ শাখার উদ্যোগে এই সমাবেশ আয়োজন করা হয়। শনিবার (২৫ জানুয়ারি) ক্যাম্পাসের বরকত মিলনায়তনে সামনে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কলেজ শাখার আহ্বায়ক রিয়াজ মাহমুদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নগর শাখার সভাপতি মুক্তা বড়াই, সদস্য আশিক রহমান লেলিন, মেহেদী হাসান আরিফ ও সংগঠক তরিকুল ইসলাম আশিক। এ সময় বক্তারা বলেন, ১৯৩৪ সালের ২১ জানুয়ারী স্বৈরাচারবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অগ্নিগর্ভে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের পথ চলা শুরু হয়। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা-সংস্কৃতি ও মনুষ্যত্ব রক্ষায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করায় ছাত্রদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

তিতুমীর কলেজের বিভিন্ন সমস্যা উল্লখ্য করে তারা বলেন, উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হওয়া স্বত্ত্বেও এত বছরে গবেষণার কোন রকম আয়োজন নিশ্চিত করা হয় নি। প্রায় ৫৬০০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করলেও লাইব্রেরী খুবই সংকীর্ণ। যেখানে একসাথে ৫০জন ছাত্র-ছাত্রী বসে পড়াশুনা করতে পারছে না। ওয়ার্ল্ড হেলথ ওরগানাইজেশন প্রতি ৫০০ জনের জন্য একজন রেজিষ্ট্রার ডাক্তারের প্রয়োজনীতার কথা বললেও এতো সংখ্যক ছাত্রদের জন্য কোন ডাক্তার নেই। উপরন্তু প্রতি বছর স্বাস্থ্য ক্যাম্পের নামে পর্যাপ্ত অর্থ ছাত্রদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে। বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত আবাসিক ব্যবস্থা নেই। আবাসিক সংকটের বিষয়টি মন্ত্রনালয়ে তুলে ধরে বরাদ্ধ আদায়ের প্রশাসনের প্রচেষ্টায় ঘাটতি আছে।

এ সময় তারা দাবি জানান, শিক্ষার্থীদের সুস্থ সুনাগরিক হিসেবে বেড়ে উঠার জন্য প্রতি ৩ মাস অন্তর অন্তর সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন নিশ্চিত করার। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও বির্তক সংগঠনগুলোর জন্য সুনিদিষ্ট পরিসর নিশ্চিত করা ও প্রতি তিনমাস অন্তর আন্তঃবিভাগীয় প্রতিযোগীতার আয়োজন করা। ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে ভাতৃত্ব ও সহ অবস্থান নিশ্চিত করতে প্রশাসনের উদ্যোগে আলাপ আলোচনা ও জাতীয় দিবসগুলোতে সকল সংগঠনের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করা। সাত কলেজ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা। নির্মাণাধীন হলের কাজ দ্রুত শেষ করা। প্রথম বর্ষ থেকেই কলেজ প্রশাসনের সহযোগিতায় আবাসিক হলে সীট প্রদান করা। পরিশেষে বক্তারা প্রথম বর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে সমাবেশ সমাপ্ত ঘোষনা করেন

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে