বিশেষ প্রতিবেদকঃ 
পশু কোরবানির জন্য রাজধানীর দুই সিটিতে প্রায় আটশ’ জায়গা নির্ধারণ করা হলেও এখনো প্রস্তুত হয়নি বেশিরভাগই। কোরবানির আগেই ইমাম, প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত মাংস প্রস্তুতকারীসহ পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে, নগরবাসীকে নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানির আহ্বান জানিয়েছে সিটি করপোরেশন। অন্যদিকে, সবার সহযোগিতায় গেলো বছরের চেয়েও দ্রুত বর্জ্য অপসারণ সম্ভব হবে বলেও আশাবাদ তাদের।
নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানি। ২০১৬ সালে রাজধানীতে শুরু হওয়া পশু কোরবানির স্বাস্থ্যসম্মত এই নিয়মে শুরুর দিকে তেমন একটা সাড়া না মিললেও, দিনে দিনে বাড়ে নাগরিক অংশগ্রহণ। তবে এই আয়োজনের সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে অভিযোগ পিছু ছাড়েনি কখনোই।
এই যেমন উত্তর সিটির ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড। পশু কোরবানির জন্য ওয়ার্ডটিতে নির্ধারিত পাঁচটি স্থানের মধ্যে রয়েছে মাঠটিও। তবে এখন পর্যন্ত প্রস্তুতির ছিটেফোঁটাও চোখে পড়েনি জায়গাটিতে। প্রায় একই অবস্থা ওয়ার্ডটির জন্য নির্ধারিত বাকি চারটি স্থানেরও।
স্থানীয়রা বলেন ‘সরকার যে জায়গাগুলো করে দিয়েছে আমরা জানি না সেই জায়গাগুলো কোথায়। জায়গা যদি পর্যাপ্ত হয় এবং পানিসহ সুন্দর ব্যবস্থাপনা থাকলে মানুষ অবশ্যই যাবে।’
এ বছর ঢাকার দুই সিটিতে পশু কোরবানির জন্য জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৯৩টি। বর্জ্য ফেলতে সরবরাহ করা হয়েছে প্রায় সাত লাখ প্লাস্টিকের ব্যাগ। এছাড়া এসব অপসারণে নিয়োজিত থাকবে প্রায় ২০ হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মী।
ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মো. জাহিদ হোসেন বিডিসমাচার কে বলেন, নির্দিষ্ট স্থান করা হয়েছে। পর্যাপ্ত ব্লিচিং পাউডার এবং ডেটল থাকবে।
ক্রমেই নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে ওঠা ডেঙ্গু পরিস্থিতি বলে দেয় সুস্থ সুন্দর রোগমুক্ত জীবন যাপনে কতটা পরিষ্কার পরিচ্ছনতা জরুরী। তাই আসন্ন ঈদুল আজহা পরবর্তী বর্জ্য অপসারণে সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি চ্যালেঞ্জ নিতে হবে নগরবাসীকেই।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে