আমাদের সকলের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রচেষ্টাই পারে একজন দুঃখ ভারাক্রান্ত মানুষের মুখে সুন্দর হাঁসি ফুটাতে। আমাদের চারপাশে একটু খোজ খবর নিলে পাওয়া যাবে অসংখ্য মানুষের দুঃখ বেদনাভরা জীবনের বাস্তবচিত্র। তাদের পাশে যদি নাই দাড়াতে পারলাম তাহলে আমরা কিসের আশরাফুল মাখলুকাত!!!!!
আমরা অর্থশালী ব্যক্তিরা আজ মার্কেটিং নিয়ে ব্যস্ত!! কার থেকে কে অধিক দামী পোশাক কিনবে। ঈদকে সামনে রেখে কত রকম বাহারী খাবারের আয়োজন চলছে।
পক্ষান্তরের আমাদেরই ঘরের পাশে অসংখ্য,পিতা-মাতা তাদের সন্তানদের দু বেলা পেট পুরে খাবার জুটাতে পারবে কিনা সে চিন্তায় মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে। সন্তানের নতুন জামা কিনে দেওয়ার বায়না কিভাবে পূরণ করবে সে জল্পনা কল্পনায় রাত দিন কাটাচ্ছে!!!
তারই বাস্তব কিছু চিত্র আজ চোঁখে পরলো চাঁদপুর সদর উপজেলার লক্ষীপুর থেকে চাঁদপুরে আসার পথে। পথের ধারে, রাস্তার পাশে কয়েকজন দারিদ্র পিরিত সন্তানদের পিতাকে দেখলাম অচেনা অজানা পৃথিবীর পানে তাকিয়ে আছে। চোঁখের দিকে তাকিয়ে আন্দাজ করলাম, হয়তো কাজ নেই, ঘরে ছোট্ট শিশুটিকে কিভাবে নতুন জামা কিনে দিবে, কিভাবে একমুঠো ভালো খাবার জোগাড় করবে, সে চিন্তায় তাকে ঘিরে রেখেছে।
সে গ্রাম অঞ্চল থেকে আসতে আসতে এরকম আরো কয়েকজনকে চোঁখে পরলো,মনটা ভারাক্রান্ত হয়ে গেলো।
পরক্ষনেই কিছু সময় পর শহরে চলে আসলাম, এখানে একদম ভিন্ন চিত্র কোনো দোকানে তিল পরিমান ঠাঁই নেই। কে কোনটা কার আগে কিনবে। হিসেব মিলাতে পারলামনা। গরীব অসহায় মানুষগুলো দিন দিন আরো অসহায় হচ্ছে, আর বিত্তশালীদের বিত্তের ভান্ডার দিন দিন কয়েকশ গুণ বেড়ে, আংগুল ফুলে কলা গাছ হচ্ছে।
আমরাকি পারিনা এ বৈষম্য দূর করতে?
লেখক:
মো. রবিউল আউয়াল
সহকারি প্রধান শিক্ষক, ইউনাইটেড মর্ডান হাইস্কুল, চাঁদপুর।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে