সোমবার যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : ০৮:৫৪:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪
  • / 20

ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে সোমবার (২৭ মে) চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে ৮১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোকে আশ্রয়কেন্দ্রে হিসেবে ব্যবহার করবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)।

রোববার (২৬ মে) টাইগারপাস চসিক কার্যালয়ে দুর্যোগ মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণে এক জরুরি প্রস্তুতি সভায় এ ঘোষণা দেন মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী।

চসিক মেয়র বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ৮১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষদের নেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। চসিকের সবগুলো বিভাগ দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সক্রিয় আছে। রেডক্রিসেন্টও সহযোগিতা করছে।

তিনি আরও বলেন, পাহাড়ের পাদদেশসহ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় থাকা নাগরিকদের সরিয়ে নিতে কাউন্সিলরদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নেবে।

এদিকে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগর থেকে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলের উপকূলীয় এলাকা অতিক্রম করার সম্ভাবনা আছে।

এ অবস্থায় জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি পরিস্থিতি বিবেচনা করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রম ও অবকাঠামো ব্যবহারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকেও একই কথা বলা হয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

সোমবার যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

Update Time : ০৮:৫৪:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪

ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে সোমবার (২৭ মে) চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে ৮১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোকে আশ্রয়কেন্দ্রে হিসেবে ব্যবহার করবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)।

রোববার (২৬ মে) টাইগারপাস চসিক কার্যালয়ে দুর্যোগ মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণে এক জরুরি প্রস্তুতি সভায় এ ঘোষণা দেন মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী।

চসিক মেয়র বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ৮১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষদের নেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। চসিকের সবগুলো বিভাগ দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সক্রিয় আছে। রেডক্রিসেন্টও সহযোগিতা করছে।

তিনি আরও বলেন, পাহাড়ের পাদদেশসহ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় থাকা নাগরিকদের সরিয়ে নিতে কাউন্সিলরদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নেবে।

এদিকে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগর থেকে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলের উপকূলীয় এলাকা অতিক্রম করার সম্ভাবনা আছে।

এ অবস্থায় জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি পরিস্থিতি বিবেচনা করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রম ও অবকাঠামো ব্যবহারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকেও একই কথা বলা হয়েছে।