সুন্দরগঞ্জে ভাগের রশি টানা-টানিতে আরইআরএমপি প্রকল্পের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : ০৭:৩৮:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২০
  • / ১৩৭ Time View
সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ভাগের রশি টানা-টানিতে ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে রুরাল এমপ্লয়মেন্ট রোড মেইনটেনেন্স প্রোগ্রাম (আরইআরএমপি)। এতে সুবিধা বঞ্চিত হতে চলেছে ১৫০ টি হতদরিদ্র পরিবার।
.
উপজেলাএলজিইডি’র সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গ্রামীণ পাকা রাস্তার ক্ষুদ্র মেরামত ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কাজের জন্য রুরাল এমপ্লয়মেন্ট রোড মেইনটেনেন্স প্রকল্প-৩-এ গত অর্থ বছরের মে-জুন মাসের মধ্যে ইউনিয়ন প্রতি ১০ জন করে ১৫ ইউনিয়নে ১৫০ জন হতদরিদ্র মহিলা শ্রমিক নিয়োগ দেয়ার জন্য নির্দেশনা আসে। এ শ্রমিকদের বয়স হবে ২৫ হতে ৪৫ বছর। একই আদেশ বলে জেলার অন্যান্য উপজেলায় প্রকল্পের কাজ শুরু হলেও এখানে লোক নিয়োগ প্রক্রিয়ার শুরুতেই স্থানীয় এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও দলীয় নেতা কর্মীদের মধ্যে ভাগ নিয়ে রশি টানা-টানি শুরু হয়।
.
অবশ্য ইউপি চেয়ারম্যানরা ৪ টি করে নামের তালিকা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তরে জমা দেন।কিন্তু দলীয় নেতা-কর্মী, উপজেলা চেয়ারম্যান ও এমপির মধ্যে ভাগের সমঝোতা না হওয়ায় প্রকল্পটির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। উল্লেখ্য, প্রকল্পের ৪ বছর মেয়াদে প্রতি জন মহিলা শ্রমিক প্রতিদিন গড় হাজিরা ২৫০ টাকা হারে প্রতিমাসে জনপ্রতি ৭ হাজার ৫’শ টাকা করে মাসিক মজুরী পাবেন। এর থেকে প্রতি মাসে প্রতি জনের ২ হাজার টাকা করে তাদের ব্যাংক হিসাবে সঞ্চয় রাখা হবে।
.
প্রকল্পের মেয়াদ শেষে জমা টাকা লভ্যাংশসহ প্রদান করা হবে। যাতে শ্রমিকরা জমা টাকা দিয়ে পরবর্তীতে পুঁজি হিসেবে কাজে লাগাতে পারেন। কিন্তু রশি টানা-টানির রোষানলে পড়ে এর ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী আবুল মনছুর জানান, ভাগের সমঝোতা কবে শেষ হবে তা আমার জানা নেই।
আমার বলারও কিছু নেই। কারণ আমরা চাকরী করি। তাই এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান ও দলীয় নেতা-কর্মীদের কিছু বলতে পারি না।
.
এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম সরকার লেবু জানান, সমঝোতার চেষ্টা চলছে, অচিরেই একটা সমাধান হবে। যাতে আরইআরএমপি প্রকল্প-৩ ফেরত না যায় সেটাও দেখা হচ্ছে।
Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

সুন্দরগঞ্জে ভাগের রশি টানা-টানিতে আরইআরএমপি প্রকল্পের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

Update Time : ০৭:৩৮:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২০
সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ভাগের রশি টানা-টানিতে ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে রুরাল এমপ্লয়মেন্ট রোড মেইনটেনেন্স প্রোগ্রাম (আরইআরএমপি)। এতে সুবিধা বঞ্চিত হতে চলেছে ১৫০ টি হতদরিদ্র পরিবার।
.
উপজেলাএলজিইডি’র সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গ্রামীণ পাকা রাস্তার ক্ষুদ্র মেরামত ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কাজের জন্য রুরাল এমপ্লয়মেন্ট রোড মেইনটেনেন্স প্রকল্প-৩-এ গত অর্থ বছরের মে-জুন মাসের মধ্যে ইউনিয়ন প্রতি ১০ জন করে ১৫ ইউনিয়নে ১৫০ জন হতদরিদ্র মহিলা শ্রমিক নিয়োগ দেয়ার জন্য নির্দেশনা আসে। এ শ্রমিকদের বয়স হবে ২৫ হতে ৪৫ বছর। একই আদেশ বলে জেলার অন্যান্য উপজেলায় প্রকল্পের কাজ শুরু হলেও এখানে লোক নিয়োগ প্রক্রিয়ার শুরুতেই স্থানীয় এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও দলীয় নেতা কর্মীদের মধ্যে ভাগ নিয়ে রশি টানা-টানি শুরু হয়।
.
অবশ্য ইউপি চেয়ারম্যানরা ৪ টি করে নামের তালিকা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তরে জমা দেন।কিন্তু দলীয় নেতা-কর্মী, উপজেলা চেয়ারম্যান ও এমপির মধ্যে ভাগের সমঝোতা না হওয়ায় প্রকল্পটির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। উল্লেখ্য, প্রকল্পের ৪ বছর মেয়াদে প্রতি জন মহিলা শ্রমিক প্রতিদিন গড় হাজিরা ২৫০ টাকা হারে প্রতিমাসে জনপ্রতি ৭ হাজার ৫’শ টাকা করে মাসিক মজুরী পাবেন। এর থেকে প্রতি মাসে প্রতি জনের ২ হাজার টাকা করে তাদের ব্যাংক হিসাবে সঞ্চয় রাখা হবে।
.
প্রকল্পের মেয়াদ শেষে জমা টাকা লভ্যাংশসহ প্রদান করা হবে। যাতে শ্রমিকরা জমা টাকা দিয়ে পরবর্তীতে পুঁজি হিসেবে কাজে লাগাতে পারেন। কিন্তু রশি টানা-টানির রোষানলে পড়ে এর ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী আবুল মনছুর জানান, ভাগের সমঝোতা কবে শেষ হবে তা আমার জানা নেই।
আমার বলারও কিছু নেই। কারণ আমরা চাকরী করি। তাই এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান ও দলীয় নেতা-কর্মীদের কিছু বলতে পারি না।
.
এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম সরকার লেবু জানান, সমঝোতার চেষ্টা চলছে, অচিরেই একটা সমাধান হবে। যাতে আরইআরএমপি প্রকল্প-৩ ফেরত না যায় সেটাও দেখা হচ্ছে।