সর্ববৃহৎ বাজেট পেল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : ১১:০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২০
  • / 177
রেদওয়ান রাকিব, ইবি প্রতিনিধি:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে (ইবি) ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের সংশোধিত বাজেটে ১৫৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকার বরাদ্দ দিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী’র কাছে বাজেট হস্তান্তর করেন ট্রেজারার প্রফেসর ড. সেলিম তোহা।
.
বাজেট হস্তান্তরকালে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শাহিনুর রহমান, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস. এম. আব্দুল লতিফ, প্রক্টর প্রফেসর ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মন, হিসাব পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ছিদ্দিক উল্যা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
.
জানা যায়, কমিশন ২০১৯-২০২০ অর্থসালের জন্য বরাদ্দ দিয়েছে ১৫৩ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অর্থবছরের জন্য নিজস্ব আয় ধরা হয়েছে ১৮ কোটি টাকা।
.
বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য, প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিসের উপপরিচালক রাজিবুল ইসলাম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
.
তিনি জানান, ‘চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট এবং ২০২০-২০২১ অর্থবছরের মূল অনুন্নয়ন বাজেটে ৩টি ডাবল ডেকার বাস ক্রয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের অনুমোদন এবং এই প্রথম স্কুলটির জন্য অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছে। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে ১টি ডাবল ডেকার বাস এবং পরবর্তী বছরের বাজেটে ২টি ডাবল ডেকার বাস ক্রয়ের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।’
.
এছাড়া চলতি অর্থবছরের বাজেটে ১১ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছে, যা এর আগে পাওয়া যায়নি। বিগত প্রশাসনের নিয়োগ দেয়া ১২৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর অনুমোদনও নিয়েছেন বর্তমান প্রশাসন।’
.
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা বাজেট নিয়ে তার মন্তব্যে বলেন, ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এই অর্থবছরে যে বাজেট পেয়েছে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বাজেট। এতে আমি ট্রেজারার হিসেবে সন্তুষ্ট। বাজেটের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্যসহ এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আমি বিশ্বাস করি এই বাজেটকে যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায় তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক, প্রশাসনিক, শিক্ষা, সংস্কৃতি, পরিবহনসহ কোনো খাতে আর্থিক কোনো সংকট থাকবেনা।’
Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

সর্ববৃহৎ বাজেট পেল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

Update Time : ১১:০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২০
রেদওয়ান রাকিব, ইবি প্রতিনিধি:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে (ইবি) ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের সংশোধিত বাজেটে ১৫৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকার বরাদ্দ দিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী’র কাছে বাজেট হস্তান্তর করেন ট্রেজারার প্রফেসর ড. সেলিম তোহা।
.
বাজেট হস্তান্তরকালে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শাহিনুর রহমান, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস. এম. আব্দুল লতিফ, প্রক্টর প্রফেসর ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মন, হিসাব পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ছিদ্দিক উল্যা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
.
জানা যায়, কমিশন ২০১৯-২০২০ অর্থসালের জন্য বরাদ্দ দিয়েছে ১৫৩ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অর্থবছরের জন্য নিজস্ব আয় ধরা হয়েছে ১৮ কোটি টাকা।
.
বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য, প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিসের উপপরিচালক রাজিবুল ইসলাম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
.
তিনি জানান, ‘চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট এবং ২০২০-২০২১ অর্থবছরের মূল অনুন্নয়ন বাজেটে ৩টি ডাবল ডেকার বাস ক্রয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের অনুমোদন এবং এই প্রথম স্কুলটির জন্য অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছে। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে ১টি ডাবল ডেকার বাস এবং পরবর্তী বছরের বাজেটে ২টি ডাবল ডেকার বাস ক্রয়ের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।’
.
এছাড়া চলতি অর্থবছরের বাজেটে ১১ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছে, যা এর আগে পাওয়া যায়নি। বিগত প্রশাসনের নিয়োগ দেয়া ১২৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর অনুমোদনও নিয়েছেন বর্তমান প্রশাসন।’
.
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা বাজেট নিয়ে তার মন্তব্যে বলেন, ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এই অর্থবছরে যে বাজেট পেয়েছে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বাজেট। এতে আমি ট্রেজারার হিসেবে সন্তুষ্ট। বাজেটের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্যসহ এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আমি বিশ্বাস করি এই বাজেটকে যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায় তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক, প্রশাসনিক, শিক্ষা, সংস্কৃতি, পরিবহনসহ কোনো খাতে আর্থিক কোনো সংকট থাকবেনা।’