সর্বজনীন পেনশনের প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহারের দাবি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : ১০:৪২:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪
  • / 27

জাননাহ, ঢাবি প্রতিনিধি

সর্বজনীন পেনশন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য সুপার গ্রেড কার্যকর এবং স্বতন্ত্র বেতনস্কেল প্রবর্তনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন। এ প্রজ্ঞাপনকে ‘বৈষম্যমূলক’ হিসেবেও আখ্যা দেয় এ সংগঠনটি।

সোমবার (২০ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবিগুলো জানায় সংগঠনটি। এছাড়া চলতি মাসের ২৫ তারিখের মধ্যে প্রজ্ঞাপন বাতিল না করলে সারা দেশে মানববন্ধন ও কর্মবিরতির কর্মসূচিও দিয়েছে তারা। 
সংবাদ সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুল ইসলাম। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মহাসচিব অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া। যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক ড. আবদুর রহিমের সঞ্চালনয় ঢাবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, ঢাবি শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। 

শিক্ষক ফেডারেশনের কর্মসূচি অনুযায়ী, চলতি মাসের ২৫ তারিখের মধ্যে পেনশন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন বাতিল করা না হলে ২৬ মে রবিবার সারা দেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের শিক্ষকেরা একযোগে বেলা সাড়ে ১১টায় মানববন্ধন কর্মসূচি, ২৮ মে সারা দেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের শিক্ষকেরা একযোগে সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ২ ঘণ্টার কর্মবিরতি এবং ৪ জুন সারা দেশে একযোগে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন। 

লিখিত বক্তব্য পাঠকালে নিজামুল হক ভূঁইয়া বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শিক্ষকদের বিদ্যমান সুবিধার অবনমন হয় এ ধরনের কোনো পদক্ষেপের পক্ষপাতী নন। ২০১৫ সালে বেতন স্কেলে শিক্ষকদের অবনমন করা হলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় নির্দেশনায় সেটির সমাধান তারই উজ্জ্বল সাক্ষ্য বহন করে। হঠাৎ করে একটি মহল নিজেদের সুযোগ-সুবিধা অক্ষুণ্ন রেখে বিশ্ববিদ্যালয়
শিক্ষকদের ওপর এ ধরনের একটি বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা চাপিয়ে দিয়েছেন।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা নিয়মতান্ত্রিকভাবে এই বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছি। আমরা আগামী ২৫ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করব। এর মধ্যে বাতিল করার সিদ্ধান্ত না আসলে ২৬ মে সারা দেশে মানববন্ধন, ২৮ মে ২ ঘণ্টার কর্মবিরতি এবং ৪ জুন সারা দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে অর্ধদিবস কর্মবিরতি চলবে। কর্মসূচি ও কর্মবিরতি চলাকালে পরীক্ষাসমূহ আওতামুক্ত থাকবে।’

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

সর্বজনীন পেনশনের প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহারের দাবি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের

Update Time : ১০:৪২:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪

জাননাহ, ঢাবি প্রতিনিধি

সর্বজনীন পেনশন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য সুপার গ্রেড কার্যকর এবং স্বতন্ত্র বেতনস্কেল প্রবর্তনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন। এ প্রজ্ঞাপনকে ‘বৈষম্যমূলক’ হিসেবেও আখ্যা দেয় এ সংগঠনটি।

সোমবার (২০ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবিগুলো জানায় সংগঠনটি। এছাড়া চলতি মাসের ২৫ তারিখের মধ্যে প্রজ্ঞাপন বাতিল না করলে সারা দেশে মানববন্ধন ও কর্মবিরতির কর্মসূচিও দিয়েছে তারা। 
সংবাদ সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুল ইসলাম। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মহাসচিব অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া। যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক ড. আবদুর রহিমের সঞ্চালনয় ঢাবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, ঢাবি শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। 

শিক্ষক ফেডারেশনের কর্মসূচি অনুযায়ী, চলতি মাসের ২৫ তারিখের মধ্যে পেনশন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন বাতিল করা না হলে ২৬ মে রবিবার সারা দেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের শিক্ষকেরা একযোগে বেলা সাড়ে ১১টায় মানববন্ধন কর্মসূচি, ২৮ মে সারা দেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের শিক্ষকেরা একযোগে সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ২ ঘণ্টার কর্মবিরতি এবং ৪ জুন সারা দেশে একযোগে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন। 

লিখিত বক্তব্য পাঠকালে নিজামুল হক ভূঁইয়া বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শিক্ষকদের বিদ্যমান সুবিধার অবনমন হয় এ ধরনের কোনো পদক্ষেপের পক্ষপাতী নন। ২০১৫ সালে বেতন স্কেলে শিক্ষকদের অবনমন করা হলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় নির্দেশনায় সেটির সমাধান তারই উজ্জ্বল সাক্ষ্য বহন করে। হঠাৎ করে একটি মহল নিজেদের সুযোগ-সুবিধা অক্ষুণ্ন রেখে বিশ্ববিদ্যালয়
শিক্ষকদের ওপর এ ধরনের একটি বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা চাপিয়ে দিয়েছেন।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা নিয়মতান্ত্রিকভাবে এই বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছি। আমরা আগামী ২৫ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করব। এর মধ্যে বাতিল করার সিদ্ধান্ত না আসলে ২৬ মে সারা দেশে মানববন্ধন, ২৮ মে ২ ঘণ্টার কর্মবিরতি এবং ৪ জুন সারা দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে অর্ধদিবস কর্মবিরতি চলবে। কর্মসূচি ও কর্মবিরতি চলাকালে পরীক্ষাসমূহ আওতামুক্ত থাকবে।’