রাবিতে শাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদের কুশপুত্তলিকা দাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : ১১:২৫:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২
  • / 224

আসিফ আজাদ সিয়াম, রাবি প্রতিনিধি:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিনের কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাতটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটে এ কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়।

এ সময় রাবি শাখা নাগরিক ছাত্র ঐক্যের সভাপতি মেহেদী হাসান মুন্না বলেন, প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ভিসি আছে তারা কখনো পরিবার তন্ত্র কখনো স্বজন প্রীতি, স্বৈরাচারের সহায়ক ভূমিকা পালন করে। সেই সহায়ক ভূমিকা থেকে দেখা যায়, প্রত্যেক ভিসিকে চালাচ্ছে এই সরকারে কিছু কর্মচারী বা এই সরকার। এক ফরিদ উদ্দিন পতন করে কি হবে। এই যে স্বৈরাচারী রেজিম যতদিন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে উচ্ছেদ না করা যাবে ততদিন পর্যন্ত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে স্বৈরাচারী ভিসিদের স্বৈরাচারী কার্যক্রম চলবে। তাই আমাদের স্বৈরাচার দমন করতে হবে। প্রত্যেক শিক্ষার্থীর দাবি থাকবে এই বাংলাদেশে যে স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থা আছে এই শাসন ব্যবস্থাকে উচ্ছেদ করলেই বিশ্ববিদ্যালয় সহ প্রত্যেকটি অঙ্গন বাক স্বাধীনতা ফিরে পাবে। বিশ্ববিদ্যালয় যে মুক্ত চর্চাকেন্দ্র সেখানেও আর কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।

রাকসু আন্দোলন মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল মজিদ অন্তর বলেন, ভিসির অপসারণ, শিক্ষার্থীদের মামলাগুলো প্রত্যাহার, শিক্ষার্থীরা যে ন্যায্য দাবি গুলো উত্থাপন করেছে তা মেনে নিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ছাত্রসংসদ চালু না থাকায় স্বৈরতান্ত্রিক কাটামো গড়ে উঠেছে। শিক্ষার্থীদের দাবিদাওয়া গুলো প্রতিনিধিত্ব করার কেউ নাই, তাদের অধিকার নিশ্চিত করার কেও নেই। তাই অনতিবিলম্বে সব বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্রসংসদ চালু করতে হবে।

এসময় আরো বক্তব্য দেন রাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের রাবি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

রাবিতে শাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদের কুশপুত্তলিকা দাহ

Update Time : ১১:২৫:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২

আসিফ আজাদ সিয়াম, রাবি প্রতিনিধি:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিনের কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাতটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটে এ কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়।

এ সময় রাবি শাখা নাগরিক ছাত্র ঐক্যের সভাপতি মেহেদী হাসান মুন্না বলেন, প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ভিসি আছে তারা কখনো পরিবার তন্ত্র কখনো স্বজন প্রীতি, স্বৈরাচারের সহায়ক ভূমিকা পালন করে। সেই সহায়ক ভূমিকা থেকে দেখা যায়, প্রত্যেক ভিসিকে চালাচ্ছে এই সরকারে কিছু কর্মচারী বা এই সরকার। এক ফরিদ উদ্দিন পতন করে কি হবে। এই যে স্বৈরাচারী রেজিম যতদিন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে উচ্ছেদ না করা যাবে ততদিন পর্যন্ত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে স্বৈরাচারী ভিসিদের স্বৈরাচারী কার্যক্রম চলবে। তাই আমাদের স্বৈরাচার দমন করতে হবে। প্রত্যেক শিক্ষার্থীর দাবি থাকবে এই বাংলাদেশে যে স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থা আছে এই শাসন ব্যবস্থাকে উচ্ছেদ করলেই বিশ্ববিদ্যালয় সহ প্রত্যেকটি অঙ্গন বাক স্বাধীনতা ফিরে পাবে। বিশ্ববিদ্যালয় যে মুক্ত চর্চাকেন্দ্র সেখানেও আর কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।

রাকসু আন্দোলন মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল মজিদ অন্তর বলেন, ভিসির অপসারণ, শিক্ষার্থীদের মামলাগুলো প্রত্যাহার, শিক্ষার্থীরা যে ন্যায্য দাবি গুলো উত্থাপন করেছে তা মেনে নিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ছাত্রসংসদ চালু না থাকায় স্বৈরতান্ত্রিক কাটামো গড়ে উঠেছে। শিক্ষার্থীদের দাবিদাওয়া গুলো প্রতিনিধিত্ব করার কেউ নাই, তাদের অধিকার নিশ্চিত করার কেও নেই। তাই অনতিবিলম্বে সব বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্রসংসদ চালু করতে হবে।

এসময় আরো বক্তব্য দেন রাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের রাবি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান।