মোবাইল ব্যাংকিং ও এটিএম কার্ড প্রতারণা এড়াতে করণীয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : ০১:৪৮:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২০
  • / ১৯৬ Time View

 

যে কোন ধরনের প্রতারণা রোধে বাংলাদেশ পুলিশ সদা সক্রিয়। এ লক্ষ্যে, সন্দেহভাজন প্রতারকদের চিহ্নিত করতে এবং সংগঠিত প্রতারণার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতারকদের আইনের আওতায় আনতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশের মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন ইউনিট। তবে, শুধুমাত্র আইন প্রয়োগ করে এ ধরনের অপরাধ সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা খুব সহজ নয়। এক্ষেত্রে, সামাজিক সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা পালন করতে পারে। তাই, আসুন এ ধরণের প্রতারণা এড়াতে কিছু সাধারণ পরামর্শ মেনে চলি।

এ ধরনের প্রতারণার ক্ষেত্রে প্রতারক ব্যক্তি নিজেকে বিকাশ, ইউক্যাশ, রকেট, নগদ বা অন্য যেকোন মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের অথবা আপনার ব্যবহৃত এটিএম কার্ড (ডেবিট/ক্রেডিট) সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের হেড অফিস, কোম্পানী অফিস বা আইটি শাখার কর্মকর্তা/কর্মচারী হিসেবে পরিচয় দিতে পারে। প্রতারক ব্যক্তিটি আপনার সাথে অত্যন্ত শুদ্ধ ভাষায় এবং মার্জিতভাবে কথা বলার চেষ্টা করবে। সিস্টেম মেইনটেনেন্স, তথ্য হালনাগাদ, কাস্টমার ভেরিফিকেশন বা অন্য কোন বিশেষ/জরুরী কারণ দেখিয়ে প্রতারক আপনার বিকাশ, ইউক্যাশ, রকেট, নগদ ইত্যাদির একাউন্টের বা এটিএম কার্ডের (ডেবিট/ক্রেডিট) গোপন পিন নম্বরটি জানতে চাইবে। পিন নম্বরটি তাকে না জানালে আপনার একাউন্টটি বন্ধ/স্থগিত করে দেয়া হবে মর্মে ভয় দেখাবে।

ফ্যাক্ট:কোন প্রতিষ্ঠান বা প্রতিষ্ঠানের কোন ব্যক্তি (কর্মকর্তা/কর্মচারী) কখনোই আপনার কোন একাউন্টের গোপন পিন নম্বর বা পাসওয়ার্ড জানতে চাইবেন না, এমনকি কেউ সেটি জানতে চাইতে পারেন না।

পরামর্শ: এ ধরণের কলে বিচলিত না হয়ে কলটি কেটে দিন এবং পরবর্তীতে ঐ নম্বর থেকে আবার কল আসলে কল রিসিভ করা থেকে বিরত থাকুন।

বিঃ দ্রঃ প্রতারণার শিকার হলে বিলম্ব না করে পুলিশকে অবগত করুন।

নিজে সচেতন হই
অন্যকে সচেতন করি
নিরাপদ জীবন গড়ি

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

মোবাইল ব্যাংকিং ও এটিএম কার্ড প্রতারণা এড়াতে করণীয়

Update Time : ০১:৪৮:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২০

 

যে কোন ধরনের প্রতারণা রোধে বাংলাদেশ পুলিশ সদা সক্রিয়। এ লক্ষ্যে, সন্দেহভাজন প্রতারকদের চিহ্নিত করতে এবং সংগঠিত প্রতারণার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতারকদের আইনের আওতায় আনতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশের মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন ইউনিট। তবে, শুধুমাত্র আইন প্রয়োগ করে এ ধরনের অপরাধ সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা খুব সহজ নয়। এক্ষেত্রে, সামাজিক সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা পালন করতে পারে। তাই, আসুন এ ধরণের প্রতারণা এড়াতে কিছু সাধারণ পরামর্শ মেনে চলি।

এ ধরনের প্রতারণার ক্ষেত্রে প্রতারক ব্যক্তি নিজেকে বিকাশ, ইউক্যাশ, রকেট, নগদ বা অন্য যেকোন মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের অথবা আপনার ব্যবহৃত এটিএম কার্ড (ডেবিট/ক্রেডিট) সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের হেড অফিস, কোম্পানী অফিস বা আইটি শাখার কর্মকর্তা/কর্মচারী হিসেবে পরিচয় দিতে পারে। প্রতারক ব্যক্তিটি আপনার সাথে অত্যন্ত শুদ্ধ ভাষায় এবং মার্জিতভাবে কথা বলার চেষ্টা করবে। সিস্টেম মেইনটেনেন্স, তথ্য হালনাগাদ, কাস্টমার ভেরিফিকেশন বা অন্য কোন বিশেষ/জরুরী কারণ দেখিয়ে প্রতারক আপনার বিকাশ, ইউক্যাশ, রকেট, নগদ ইত্যাদির একাউন্টের বা এটিএম কার্ডের (ডেবিট/ক্রেডিট) গোপন পিন নম্বরটি জানতে চাইবে। পিন নম্বরটি তাকে না জানালে আপনার একাউন্টটি বন্ধ/স্থগিত করে দেয়া হবে মর্মে ভয় দেখাবে।

ফ্যাক্ট:কোন প্রতিষ্ঠান বা প্রতিষ্ঠানের কোন ব্যক্তি (কর্মকর্তা/কর্মচারী) কখনোই আপনার কোন একাউন্টের গোপন পিন নম্বর বা পাসওয়ার্ড জানতে চাইবেন না, এমনকি কেউ সেটি জানতে চাইতে পারেন না।

পরামর্শ: এ ধরণের কলে বিচলিত না হয়ে কলটি কেটে দিন এবং পরবর্তীতে ঐ নম্বর থেকে আবার কল আসলে কল রিসিভ করা থেকে বিরত থাকুন।

বিঃ দ্রঃ প্রতারণার শিকার হলে বিলম্ব না করে পুলিশকে অবগত করুন।

নিজে সচেতন হই
অন্যকে সচেতন করি
নিরাপদ জীবন গড়ি