বেনজির কিভাবে দেশ ছাড়লেন, প্রশ্ন ফখরুলের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : ০৭:০৬:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪
  • / 23

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, পত্রিকায় দেখলাম সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদ চলে গেছে। হি লেফট দ্যা কান্ট্রি। মে মাসের ৪ তারিখে স্বপরিবারে চলে গেছে। যাওয়ার আগে তার একাউন্টগুলো সে খালি করে গেছে।

তিনি বলেন, আমার প্রশ্ন সে কিভাবে গেলো? এই যে তারা (সরকার) বললো যে, তার সম্পত্তি আমরা ক্রোক করছি। আদালত থেকে বলালো, দুদক থেকে মামলা করেছে। তাকে কোথাও যেতে দেয়া হবে না। এসব বলা হলো। তাহলে ৪ তারিখ স্বপরিবারে কিভাবে চলে গেলো। সরকারের চোখের নাকের ওপর দিয়ে।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের উদ্যোগে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বেনজীর আহমেদের সস্পত্তি-ক্রোক নিয়ে সরকারের দেয়া বক্তব্য ‘লোকদেখানো’ বলে দাবি করে ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের মানুষ তো আহম্মক না। সবাই বোঝে, এগুলো সব আপনাদের লোকদেখানো, প্রতারণা। এখন পর্যন্ত এই প্রতারণা করে আপনারা দেশ শাসন করেছেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, শুধু বেনজীর নয়, এক আজিজ (আজিজ আহমেদ) নয়, অসংখ্য আজিজ আর বেনজীর তারা তৈরি করেছে। সব সময় মনে রাখতে হবে, এরা বাংলাদেশটাকে একটা লুটের সাম্রাজ্যে পরিণত করেছে। লুটপাট বর্গীর দেশে পরিণত করেছে। এখান থেকে আমাদের দেশটাকে রক্ষা করতে হবে।

তিনি বলেন, গণতন্ত্রের জন্য আমরা লড়াই-সংগ্রাম করছি। একটা কথা আমাদের মনে রাখতে হবে, বিজয় আমাদের অর্জন করতেই হবে। সাফল্য আমাদের আনতেই হবে। আজকে এই পেশাজীবীদের আলোচনার মধ্য দিয়ে আমরা একটা জিনিস পরিষ্কার করে বলতে চাই, বাংলাদেশে বিএনপি কখনোই তার অভিষ্ট লক্ষ্য থেকে সরে দাঁড়াবে না। লক্ষ্য অটুট আছে। কৌশল অনেক সময় পরিবর্তন হতে পারে, সেটাই করি আলোচনা করে ঠিক করব।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা ব্যর্থ নই। আমরা নতুন করে উজ্জীবিত হয়েছি, আমরা নতুন করে আবার কাজ শুরু করেছি। ইনশাল্লাহ জয় আমাদের হবেই। কারণ আমরা সত্যের পথে ন্যায়ের পথে লড়াই করছি।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

বেনজির কিভাবে দেশ ছাড়লেন, প্রশ্ন ফখরুলের

Update Time : ০৭:০৬:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, পত্রিকায় দেখলাম সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদ চলে গেছে। হি লেফট দ্যা কান্ট্রি। মে মাসের ৪ তারিখে স্বপরিবারে চলে গেছে। যাওয়ার আগে তার একাউন্টগুলো সে খালি করে গেছে।

তিনি বলেন, আমার প্রশ্ন সে কিভাবে গেলো? এই যে তারা (সরকার) বললো যে, তার সম্পত্তি আমরা ক্রোক করছি। আদালত থেকে বলালো, দুদক থেকে মামলা করেছে। তাকে কোথাও যেতে দেয়া হবে না। এসব বলা হলো। তাহলে ৪ তারিখ স্বপরিবারে কিভাবে চলে গেলো। সরকারের চোখের নাকের ওপর দিয়ে।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের উদ্যোগে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বেনজীর আহমেদের সস্পত্তি-ক্রোক নিয়ে সরকারের দেয়া বক্তব্য ‘লোকদেখানো’ বলে দাবি করে ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের মানুষ তো আহম্মক না। সবাই বোঝে, এগুলো সব আপনাদের লোকদেখানো, প্রতারণা। এখন পর্যন্ত এই প্রতারণা করে আপনারা দেশ শাসন করেছেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, শুধু বেনজীর নয়, এক আজিজ (আজিজ আহমেদ) নয়, অসংখ্য আজিজ আর বেনজীর তারা তৈরি করেছে। সব সময় মনে রাখতে হবে, এরা বাংলাদেশটাকে একটা লুটের সাম্রাজ্যে পরিণত করেছে। লুটপাট বর্গীর দেশে পরিণত করেছে। এখান থেকে আমাদের দেশটাকে রক্ষা করতে হবে।

তিনি বলেন, গণতন্ত্রের জন্য আমরা লড়াই-সংগ্রাম করছি। একটা কথা আমাদের মনে রাখতে হবে, বিজয় আমাদের অর্জন করতেই হবে। সাফল্য আমাদের আনতেই হবে। আজকে এই পেশাজীবীদের আলোচনার মধ্য দিয়ে আমরা একটা জিনিস পরিষ্কার করে বলতে চাই, বাংলাদেশে বিএনপি কখনোই তার অভিষ্ট লক্ষ্য থেকে সরে দাঁড়াবে না। লক্ষ্য অটুট আছে। কৌশল অনেক সময় পরিবর্তন হতে পারে, সেটাই করি আলোচনা করে ঠিক করব।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা ব্যর্থ নই। আমরা নতুন করে উজ্জীবিত হয়েছি, আমরা নতুন করে আবার কাজ শুরু করেছি। ইনশাল্লাহ জয় আমাদের হবেই। কারণ আমরা সত্যের পথে ন্যায়ের পথে লড়াই করছি।