বেইলি রোডের আগুনে প্রাণ হারিয়েছেন ১২ শিক্ষক-শিক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : ০৩:২৯:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মার্চ ২০২৪
  • / ১১৫ Time View

রাজধানীর বেইলি রোডে বহুতল ভবনে লাগা ভয়াবহ আগুনে এখন পর্যন্ত ৪৬ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১ জন শিক্ষক ১১ শিক্ষার্থীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

এতে একসঙ্গে ৭ বান্ধবীও রয়েছেন বলে জানা গেছে। রাজধানীর বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন তারা। এছাড়া আগুনে পুড়ে মারা গেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী নাহিয়ান আমিন ও লামিশা ইসলাম। নাহিয়ান আমিন বিশ্ববিদ্যালয়টির ইইই বিভাগের ২২ ব্যাচের শিক্ষার্থী। আর লামিসা ইসলাম একই ব্যাচের মেকানিক্যাল বিভাগের শিক্ষার্থী।

একই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষিকা লুৎফুর নাহার করিম (৪৭) ও তার মেয়ে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী জান্নাতি তাজরিন (২৩)। এছাড়া আগুনে পুড়ে নিহত হয়েছেন তুষার হাওলাদার নামে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এক ছাত্র। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির সাংবাদিকতা বিভাগের ৩৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। নিহতদের মধ্যে মো. নুরুল ইসলাম নামে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) একজন শিক্ষার্থীও আছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএর সন্ধ্যাকালীন কোর্সে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০১৮ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে বেইলি রোডের ওই ভবনের নিচের অংশে আগুন লাগে। খবর পেয়ে পর্যায়ক্রমে ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়। রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

এ ঘটনায় ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। এদের মধ্যে ২২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ ছাড়া ৭৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

বেইলি রোডের আগুনে প্রাণ হারিয়েছেন ১২ শিক্ষক-শিক্ষার্থী

Update Time : ০৩:২৯:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মার্চ ২০২৪

রাজধানীর বেইলি রোডে বহুতল ভবনে লাগা ভয়াবহ আগুনে এখন পর্যন্ত ৪৬ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১ জন শিক্ষক ১১ শিক্ষার্থীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

এতে একসঙ্গে ৭ বান্ধবীও রয়েছেন বলে জানা গেছে। রাজধানীর বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন তারা। এছাড়া আগুনে পুড়ে মারা গেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী নাহিয়ান আমিন ও লামিশা ইসলাম। নাহিয়ান আমিন বিশ্ববিদ্যালয়টির ইইই বিভাগের ২২ ব্যাচের শিক্ষার্থী। আর লামিসা ইসলাম একই ব্যাচের মেকানিক্যাল বিভাগের শিক্ষার্থী।

একই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষিকা লুৎফুর নাহার করিম (৪৭) ও তার মেয়ে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী জান্নাতি তাজরিন (২৩)। এছাড়া আগুনে পুড়ে নিহত হয়েছেন তুষার হাওলাদার নামে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এক ছাত্র। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির সাংবাদিকতা বিভাগের ৩৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। নিহতদের মধ্যে মো. নুরুল ইসলাম নামে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) একজন শিক্ষার্থীও আছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএর সন্ধ্যাকালীন কোর্সে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০১৮ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে বেইলি রোডের ওই ভবনের নিচের অংশে আগুন লাগে। খবর পেয়ে পর্যায়ক্রমে ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়। রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

এ ঘটনায় ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। এদের মধ্যে ২২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ ছাড়া ৭৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।