বাবা-মায়ের অনুপ্রেরণায় এএসপি হলেন সীমা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : ১২:৩৭:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ নভেম্বর ২০২১
  • / ৩৩৮ Time View

সীমা খানম ৩৮ তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারের উত্তীর্ণ হন।তার বাড়ি ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলায়। বাবা সরোয়ার শেখ কৃষক ও মা রওশনারা বেগম একজন সরকারি চাকরিজীবী। সীমা ২০০৯ সালে ফরিদপুরের হাসামদিয়া ইউনাইটেড উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ২০১১ সালে সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

বর্তমানে তিনি সহকারী পুলিশ সুপার পদে ঢাকা পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে আছেন। সম্প্রতি তার বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া, ভবিষ্যৎ স্বপ্ন ও সফলতার গল্প শুনিয়েছেন বিডি সমাচারকে।

বিডি সমাচার: আপনার শৈশবের গল্প দিয়ে শুরু করতে চাই-
সীমা খানম: ছোটবেলায় স্কুলে যাওয়াটা আমার একটা নেশা ছিল। অসুস্থতা ছাড়া কখনো স্কুলে অনুপস্থিত থাকিনি। বরাবরই পড়াশোনায় ভালো ছিলাম। বেশিরভাগ সময়ে ক্লাসের ফার্স্ট হতাম আমি। দ্বিতীয় শ্রেনীতে পড়াশোনাকালীন একদিন ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছিল। তখন আব্বু- আম্মু স্কুলে যেতে বারন করেছিলেন। কিন্তু আমি নাছোড়বান্দা স্কুলে যাবই যাব। অবশেষে আব্বু আমাকে তার ঘাড়ে বসিয়ে মাথার উপর ছাতা ধরে স্কুলে নিয়ে যায়। কিন্তু স্কুলে গিয়ে দেখি আমি ছাড়া আমার ক্লাসের আর কোন স্টুডেন্ট উপস্থিত নেই। কেউই বৃষ্টি উপেক্ষা করে স্কুল আসেনি। নিয়মিত স্কুলে যাওয়া আর ক্লাসের প্রথম বেঞ্চে বসা আমার দৈনন্দিন রুটিন ছিল। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়েও এই ধারা অব্যাহত ছিল।

বিডি সমাচার: পড়াশোনায় কোনো প্রতিবন্ধকতা ছিল কি?
সীমা খানম: আমার পড়াশোনায় তেমন কোন প্রতিবন্ধকতা ছিল না বললেই চলে। আমার আব্বু-আম্মু ছোটবেলা থেকেই বড় অফিসার হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। আম্মু কোনদিনই ঘরের কোন দৈনন্দিন কাজ করতে বলতেন না। শুধু পড়াশোনা করতে বলতেন। তাদের কাছ থেকে সবসময় সাপোর্ট পেয়েছি।

বিডি সমাচার: বিসিএসের স্বপ্ন দেখেছিলেন কখন থেকে?
সীমা খানম: বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনাকালীন বিভিন্ন সেমিনার ও অনুষ্ঠানে বিসিএস ক্যাডাররা আসতেন। সেখানে তারা বিসিএস নিয়ে খুঁটিনাটি আলোচনা করতেন। এই আলোচনা থেকে বিসিএস সম্পর্কে একটা পূর্ণ ধারণা হল। যখন থেকে আমি বুঝতে পারলাম বিসিএস হলো বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক চাকুরি ; তখন থেকেই মূলত বিসিএস ক্যাডার হবার স্বপ্ন দেখতে শুরু করি।

বিডি সমাচার: বিসিএস যাত্রার গল্প শুনতে চাই, প্রস্তুতি কিভাবে নিয়েছেন?

সীমা খানম: বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ বিভাগে প্রথম থেকেই আমার রেজাল্ট ভালো ছিল। অনার্সে ফাস্ট ক্লাসে তৃতীয় হয়েছিলাম। প্রথম থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হবার তেমন ইচ্ছে ছিল না। তাই বিসিএস ক্যাডার হবার প্রস্তুতি নিতে শুরু করলাম। আমার কাছের এক বন্ধুর বিসিএস সম্পর্কে খুব ভালো ধারণা ছিল। সে নিজে প্রথম বিসিএসেই ক্যাডার হয়ে যায়। সে ছিল আমার বিসিএস যাত্রার মেন্টর। তার পরামর্শ অনুযায়ী বিসিএস যাত্রা শুরু করি এবং তার গাইডলাইন পুরোপুরি ফলো করি। বন্ধুর পরামর্শে প্রথম গল্প ও উপন্যাস পড়া শুরু করি। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই পড়েছি কমপক্ষে ১৫-২০ টি। নিয়মিত পত্রিকা পড়ার পাশাপাশি বিবিসি মিডিয়ার খবর দেখতাম। পড়াশোনার পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ করতাম। আমার হলের প্রায় প্রতিটি অনুষ্ঠানে ভলান্টিয়ার হতাম। স্পেড টার্ম কার্ড খেলায় একবার হল চ্যম্পিয়ন হয়েছি এবং রিলে দৌড়ে আমার টিম রানার্সআপ হয়েছে। আমার বিসিএস জানিটা অনেকের তুলনায় সহজ ছিল। কারন আমি নোট, বই, প্রয়োজনীয় তথ্য সবকিছু রেডিমেট হাতের নাগালে গোছানো পেতাম। বিসিএস প্রস্তুতির সময় আমি রুটিন মেনে চলার চেষ্টা করতাম। নিয়মিত কোচিং সেন্টারে পরীক্ষা দেওয়া ও ভুল-ত্রুটিগুলো সংশোধনের উপর জোর দিতাম। এছাড়া হাতের লেখা মোটামুটি সুন্দর হওয়ায় রিটেন পরীক্ষায় বেশ উৎসাহিত ছিলাম। আমি বিভিন্ন চার্ট, ম্যাপ,ডেটা,কোটেশন ইত্যাদি সহজেই মনে রাখতে পারতাম। রিটেনের ক্ষেত্রে এগুলো বেশ কাজে লাগছে। বিসিএস ভাইবাতেও আমার পারফরম্যান্স খুব ভালো ছিল। সব মিলিয়ে আমার বিসিএস যাত্রা ছিল স্বপ্নের মতো। যেখানে আমি সবসময় চেষ্টা করতাম সময়ের সদ্ব্যবহার করতে।

বিডি সমাচার : ৩৮ তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডার পেয়েছেন। বিষয়টি জানার পর আপনার প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল?

সীমা খানম: যখন জানতে পারলাম আমি বিসিএস পুলিশ ক্যাডার পেয়েছি তখন প্রথমে নিজের কাছে বিশ্বাস হচ্ছিল না। বারবার রেজিষ্ট্রেশন নম্বর চেক করেছিলাম এবং খুশিতে কান্নাকাটি করেছিলাম। সেই সময় আমার স্বপ্ন পূরনের অনুভূতির পেয়েছি।

বিডি সমাচার: পর্দার আড়াল থেকে কেউ অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে?
সীমা খানম: আমার বাবা-মার অবদান সবচেয়ে বেশি ছিল। তাদের দোয়া ও সাপোর্ট ছিল বলেই আমি বিসিএস ক্যাডার হতে পেরেছি।

বিডি সমাচার: নতুন যারা বিসিএসে আসতে চায় তাদের জন্য কি পরামর্শ থাকবে?

সীমা খানমঃ বিসিএসের অপর নাম পরিশ্রম, আর স্রষ্টা পরিশ্রমীদের পাশে থাকেন। যারা পরিশ্রম করতে চায় তাদের জন্য বিসিএসের দরজা খোলা। ধৈর্য নিয়ে নিয়মিত অধ্যাবসায় চালিয়ে গেলে সফলতা আসবেই।

বিডি সমাচার: একজন পুলিশ হিসেবে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?

সীমা খানম: ভবিষ্যতে জাতিসংঘে শান্তিরক্ষী বাহিনীতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে চাই। পাশাপাশি একজন আর্দশ পুলিশ অফিসার হয়ে দেশ ও সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখতে চাই।

Please Share This Post in Your Social Media

বাবা-মায়ের অনুপ্রেরণায় এএসপি হলেন সীমা

Update Time : ১২:৩৭:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ নভেম্বর ২০২১

সীমা খানম ৩৮ তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারের উত্তীর্ণ হন।তার বাড়ি ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলায়। বাবা সরোয়ার শেখ কৃষক ও মা রওশনারা বেগম একজন সরকারি চাকরিজীবী। সীমা ২০০৯ সালে ফরিদপুরের হাসামদিয়া ইউনাইটেড উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ২০১১ সালে সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

বর্তমানে তিনি সহকারী পুলিশ সুপার পদে ঢাকা পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে আছেন। সম্প্রতি তার বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া, ভবিষ্যৎ স্বপ্ন ও সফলতার গল্প শুনিয়েছেন বিডি সমাচারকে।

বিডি সমাচার: আপনার শৈশবের গল্প দিয়ে শুরু করতে চাই-
সীমা খানম: ছোটবেলায় স্কুলে যাওয়াটা আমার একটা নেশা ছিল। অসুস্থতা ছাড়া কখনো স্কুলে অনুপস্থিত থাকিনি। বরাবরই পড়াশোনায় ভালো ছিলাম। বেশিরভাগ সময়ে ক্লাসের ফার্স্ট হতাম আমি। দ্বিতীয় শ্রেনীতে পড়াশোনাকালীন একদিন ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছিল। তখন আব্বু- আম্মু স্কুলে যেতে বারন করেছিলেন। কিন্তু আমি নাছোড়বান্দা স্কুলে যাবই যাব। অবশেষে আব্বু আমাকে তার ঘাড়ে বসিয়ে মাথার উপর ছাতা ধরে স্কুলে নিয়ে যায়। কিন্তু স্কুলে গিয়ে দেখি আমি ছাড়া আমার ক্লাসের আর কোন স্টুডেন্ট উপস্থিত নেই। কেউই বৃষ্টি উপেক্ষা করে স্কুল আসেনি। নিয়মিত স্কুলে যাওয়া আর ক্লাসের প্রথম বেঞ্চে বসা আমার দৈনন্দিন রুটিন ছিল। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়েও এই ধারা অব্যাহত ছিল।

বিডি সমাচার: পড়াশোনায় কোনো প্রতিবন্ধকতা ছিল কি?
সীমা খানম: আমার পড়াশোনায় তেমন কোন প্রতিবন্ধকতা ছিল না বললেই চলে। আমার আব্বু-আম্মু ছোটবেলা থেকেই বড় অফিসার হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। আম্মু কোনদিনই ঘরের কোন দৈনন্দিন কাজ করতে বলতেন না। শুধু পড়াশোনা করতে বলতেন। তাদের কাছ থেকে সবসময় সাপোর্ট পেয়েছি।

বিডি সমাচার: বিসিএসের স্বপ্ন দেখেছিলেন কখন থেকে?
সীমা খানম: বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনাকালীন বিভিন্ন সেমিনার ও অনুষ্ঠানে বিসিএস ক্যাডাররা আসতেন। সেখানে তারা বিসিএস নিয়ে খুঁটিনাটি আলোচনা করতেন। এই আলোচনা থেকে বিসিএস সম্পর্কে একটা পূর্ণ ধারণা হল। যখন থেকে আমি বুঝতে পারলাম বিসিএস হলো বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক চাকুরি ; তখন থেকেই মূলত বিসিএস ক্যাডার হবার স্বপ্ন দেখতে শুরু করি।

বিডি সমাচার: বিসিএস যাত্রার গল্প শুনতে চাই, প্রস্তুতি কিভাবে নিয়েছেন?

সীমা খানম: বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ বিভাগে প্রথম থেকেই আমার রেজাল্ট ভালো ছিল। অনার্সে ফাস্ট ক্লাসে তৃতীয় হয়েছিলাম। প্রথম থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হবার তেমন ইচ্ছে ছিল না। তাই বিসিএস ক্যাডার হবার প্রস্তুতি নিতে শুরু করলাম। আমার কাছের এক বন্ধুর বিসিএস সম্পর্কে খুব ভালো ধারণা ছিল। সে নিজে প্রথম বিসিএসেই ক্যাডার হয়ে যায়। সে ছিল আমার বিসিএস যাত্রার মেন্টর। তার পরামর্শ অনুযায়ী বিসিএস যাত্রা শুরু করি এবং তার গাইডলাইন পুরোপুরি ফলো করি। বন্ধুর পরামর্শে প্রথম গল্প ও উপন্যাস পড়া শুরু করি। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই পড়েছি কমপক্ষে ১৫-২০ টি। নিয়মিত পত্রিকা পড়ার পাশাপাশি বিবিসি মিডিয়ার খবর দেখতাম। পড়াশোনার পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ করতাম। আমার হলের প্রায় প্রতিটি অনুষ্ঠানে ভলান্টিয়ার হতাম। স্পেড টার্ম কার্ড খেলায় একবার হল চ্যম্পিয়ন হয়েছি এবং রিলে দৌড়ে আমার টিম রানার্সআপ হয়েছে। আমার বিসিএস জানিটা অনেকের তুলনায় সহজ ছিল। কারন আমি নোট, বই, প্রয়োজনীয় তথ্য সবকিছু রেডিমেট হাতের নাগালে গোছানো পেতাম। বিসিএস প্রস্তুতির সময় আমি রুটিন মেনে চলার চেষ্টা করতাম। নিয়মিত কোচিং সেন্টারে পরীক্ষা দেওয়া ও ভুল-ত্রুটিগুলো সংশোধনের উপর জোর দিতাম। এছাড়া হাতের লেখা মোটামুটি সুন্দর হওয়ায় রিটেন পরীক্ষায় বেশ উৎসাহিত ছিলাম। আমি বিভিন্ন চার্ট, ম্যাপ,ডেটা,কোটেশন ইত্যাদি সহজেই মনে রাখতে পারতাম। রিটেনের ক্ষেত্রে এগুলো বেশ কাজে লাগছে। বিসিএস ভাইবাতেও আমার পারফরম্যান্স খুব ভালো ছিল। সব মিলিয়ে আমার বিসিএস যাত্রা ছিল স্বপ্নের মতো। যেখানে আমি সবসময় চেষ্টা করতাম সময়ের সদ্ব্যবহার করতে।

বিডি সমাচার : ৩৮ তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডার পেয়েছেন। বিষয়টি জানার পর আপনার প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল?

সীমা খানম: যখন জানতে পারলাম আমি বিসিএস পুলিশ ক্যাডার পেয়েছি তখন প্রথমে নিজের কাছে বিশ্বাস হচ্ছিল না। বারবার রেজিষ্ট্রেশন নম্বর চেক করেছিলাম এবং খুশিতে কান্নাকাটি করেছিলাম। সেই সময় আমার স্বপ্ন পূরনের অনুভূতির পেয়েছি।

বিডি সমাচার: পর্দার আড়াল থেকে কেউ অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে?
সীমা খানম: আমার বাবা-মার অবদান সবচেয়ে বেশি ছিল। তাদের দোয়া ও সাপোর্ট ছিল বলেই আমি বিসিএস ক্যাডার হতে পেরেছি।

বিডি সমাচার: নতুন যারা বিসিএসে আসতে চায় তাদের জন্য কি পরামর্শ থাকবে?

সীমা খানমঃ বিসিএসের অপর নাম পরিশ্রম, আর স্রষ্টা পরিশ্রমীদের পাশে থাকেন। যারা পরিশ্রম করতে চায় তাদের জন্য বিসিএসের দরজা খোলা। ধৈর্য নিয়ে নিয়মিত অধ্যাবসায় চালিয়ে গেলে সফলতা আসবেই।

বিডি সমাচার: একজন পুলিশ হিসেবে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?

সীমা খানম: ভবিষ্যতে জাতিসংঘে শান্তিরক্ষী বাহিনীতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে চাই। পাশাপাশি একজন আর্দশ পুলিশ অফিসার হয়ে দেশ ও সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখতে চাই।