ফেব্রুয়ারির প্রথম ৯ দিনে রেমিট্যান্স এল ৬৩ কোটি ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : ০৬:২৭:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ৩৬ Time View

ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম নয় দিনে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এলো ৬৩ কোটি ১৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ছয় হাজার ৯১৮ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১০৯ দশমিক ৫০ পয়সা হিসাবে)। রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

এ সময়ে গড়ে প্রতিদিন দেশে এসেছে সাত কোটি এক লাখ ৯৬ হাজার ৬৬৬ ডলার। আগের বছর একই সময়ে গড়ে দিনে প্রবাসী আয় আসে পাঁচ কোটি ৫৭ লাখ ৩১ হাজার ৪২৮ ডলার।

আর আগের মাস জানুয়ারিতে গড়ে প্রতিদিন প্রবাসী আয় আসে সাত কোটি ৩১ হাজার ৬৬৬ ডলার। ডিসেম্বর মাসেও এমনই ছিল।

আগের বছরের সেপ্টেম্বরে ৪৪ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন প্রবাসী আয় আসে। এরপর সরকার প্রণোদনা বাড়ানোর পাশাপাশি নির্ধারিত দামের অতিরিক্ত দামে প্রবাসী আয় না কেনার নির্দেশনা তুলে নেয়।

এরপর থেকে বাড়তে থাকে প্রবাসী আয়।
ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেমিট্যান্স কেনায় ঘোষিত দর ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা হলেও ১২২ থেকে ১২৫ টাকা দরে পর্যন্ত কেনা যাচ্ছে, এ কারণে রেমিট্যান্স বেড়েছে।

২০২৩ সালসহ আগের বছরে যে হারে মানুষ কাজ নিয়ে বিদেশে যান, হুন্ডির মাধ্যমে প্রবাসী আয় আসায় এবং অর্থ পাচার হওয়ায় ব্যাংকিং চ্যানেলে বৈধভাবে সে অনুপাতে রেমিট্যান্স বাড়েনি।

অর্থনীতিদিরা বলছেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ফলে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কেটে গেছে, পাচার কমেছে। এর প্রভাব পড়ছে প্রবাসী আয়ে। আগামী মাসগুলোতে এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

ফেব্রুয়ারির প্রথম ৯ দিনে রেমিট্যান্স এল ৬৩ কোটি ডলার

Update Time : ০৬:২৭:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম নয় দিনে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এলো ৬৩ কোটি ১৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ছয় হাজার ৯১৮ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১০৯ দশমিক ৫০ পয়সা হিসাবে)। রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

এ সময়ে গড়ে প্রতিদিন দেশে এসেছে সাত কোটি এক লাখ ৯৬ হাজার ৬৬৬ ডলার। আগের বছর একই সময়ে গড়ে দিনে প্রবাসী আয় আসে পাঁচ কোটি ৫৭ লাখ ৩১ হাজার ৪২৮ ডলার।

আর আগের মাস জানুয়ারিতে গড়ে প্রতিদিন প্রবাসী আয় আসে সাত কোটি ৩১ হাজার ৬৬৬ ডলার। ডিসেম্বর মাসেও এমনই ছিল।

আগের বছরের সেপ্টেম্বরে ৪৪ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন প্রবাসী আয় আসে। এরপর সরকার প্রণোদনা বাড়ানোর পাশাপাশি নির্ধারিত দামের অতিরিক্ত দামে প্রবাসী আয় না কেনার নির্দেশনা তুলে নেয়।

এরপর থেকে বাড়তে থাকে প্রবাসী আয়।
ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেমিট্যান্স কেনায় ঘোষিত দর ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা হলেও ১২২ থেকে ১২৫ টাকা দরে পর্যন্ত কেনা যাচ্ছে, এ কারণে রেমিট্যান্স বেড়েছে।

২০২৩ সালসহ আগের বছরে যে হারে মানুষ কাজ নিয়ে বিদেশে যান, হুন্ডির মাধ্যমে প্রবাসী আয় আসায় এবং অর্থ পাচার হওয়ায় ব্যাংকিং চ্যানেলে বৈধভাবে সে অনুপাতে রেমিট্যান্স বাড়েনি।

অর্থনীতিদিরা বলছেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ফলে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কেটে গেছে, পাচার কমেছে। এর প্রভাব পড়ছে প্রবাসী আয়ে। আগামী মাসগুলোতে এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।