নীলফামারীতে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : ০৫:৩১:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০
  • / ১৩৮ Time View

 

মশিয়ার রহমান, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:

দীর্ঘদিন ধরে নীলফামারীতে করোনা নমুনা শনাক্তকরণের জন্য পিসিআর ল্যাব স্থাপনের দাবি উঠেছিল । তারই প্রেক্ষিতে সরকারের স্বদিচ্ছায় নীলফামারীর জেনারেল হাসপাতালে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ সুত্রে জানা গেছে বৃহস্পতিবার ৯ জুলাই থেকে নীলফামারীর জেনারেল হাসপাতালে ল্যাব স্থাপনের প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

নীলফামারী জেলা, পঞ্চগড় জেলার দেবিগঞ্জ উপজেলা ও দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলার নমুনা পরীক্ষা এখানকার আওতায় থাকবে। এখন থেকে আমরা দ্রুততম সময়ে নমুনা সংগ্রহ করে রিপোর্ট দিতে পারবো।

নীলফামারীর সিভিল সার্জন ডাঃ রণজিৎ কুমার বর্মন জানান, বর্তমানে নীলফামারীতে কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ৪৭৫ জন। এযাবৎ ৪১৭৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠালেও আমরা ফলাফল পেয়েছি ৩৭০৭ জনের।

তিনি আরও জানান, নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠালেও দ্রুত রিপোর্ট পাওয়া যায় না । যারফলে আক্রান্তদের হোম কোয়ান্টাইন ও আইসোলেশন নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

নীলফামারীতে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু

Update Time : ০৫:৩১:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০

 

মশিয়ার রহমান, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:

দীর্ঘদিন ধরে নীলফামারীতে করোনা নমুনা শনাক্তকরণের জন্য পিসিআর ল্যাব স্থাপনের দাবি উঠেছিল । তারই প্রেক্ষিতে সরকারের স্বদিচ্ছায় নীলফামারীর জেনারেল হাসপাতালে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ সুত্রে জানা গেছে বৃহস্পতিবার ৯ জুলাই থেকে নীলফামারীর জেনারেল হাসপাতালে ল্যাব স্থাপনের প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

নীলফামারী জেলা, পঞ্চগড় জেলার দেবিগঞ্জ উপজেলা ও দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলার নমুনা পরীক্ষা এখানকার আওতায় থাকবে। এখন থেকে আমরা দ্রুততম সময়ে নমুনা সংগ্রহ করে রিপোর্ট দিতে পারবো।

নীলফামারীর সিভিল সার্জন ডাঃ রণজিৎ কুমার বর্মন জানান, বর্তমানে নীলফামারীতে কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ৪৭৫ জন। এযাবৎ ৪১৭৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠালেও আমরা ফলাফল পেয়েছি ৩৭০৭ জনের।

তিনি আরও জানান, নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠালেও দ্রুত রিপোর্ট পাওয়া যায় না । যারফলে আক্রান্তদের হোম কোয়ান্টাইন ও আইসোলেশন নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না।