নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের জবাবে মাশরাফি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : ১১:৩৪:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪
  • / 26

নড়াইল সদর উপজেলা নির্বাচনে জাতীয় সংসদের হুইপ ও নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মোর্তজার বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে শনিবার (১৮ মে) সদর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী তোফায়েল মাহমুদ তুফান (ঘোড়া প্রতীক) অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

এ ছাড়া প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান নির্বাচন কমিশনার সচিব, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাচন অফিসার এবং নড়াইল সদর থানার ওসির কাছে অভিযোগটির অনুলিপি দিয়েছেন তিনি।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে বাংলাদেশ সরকারের কোনো মন্ত্রী, হুইপ বা এমপি মহোদয় তার নির্বাচনী এলাকার কোনো উপজেলায় কোনো প্রার্থীর পক্ষে প্রচার চালাতে পারবেন না। কিন্তু মাশরাফি বিন মোর্তজা নড়াইল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আজিমুর রহমান ভূঁইয়ার (আনারস মার্কা) পক্ষে প্রকাশ্যে প্রচার চালাচ্ছেন। যা উপজেলা নির্বাচন আচারণবিধির প্রকাশ্য লংঘন।

তবে অভিযোগের বিষয় নাকচ করে জাতীয় সংসদের হুইপ ও নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মোর্তুজা বলেন, আমি নড়াইলে অবস্থাকালীন সময়ে শুধু নিহত আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শিকদার মোস্তফা কামালের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। ওই বাড়িতে অবস্থানকালীন সময়ে নিহতের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির ব্যাপারে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছি। বাড়ির বাহিরে কোথাও কোনো নেতাকর্মী বা লোকজনের সঙ্গে দেখা পর্যন্ত করিনি।

মাশরাফি আরও বলেন, আমি নিশ্চিত নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোনো প্রমাণ দিতে পারবেন না ওই প্রার্থী। রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়েছে। ওই প্রার্থীর অভিযোগের স্বপক্ষে প্রমাণ দিতে বলা হয়েছে। প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করব।

নড়াইল সদর উপজেলা ও লোহাগড়া উপজেলা নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নড়াইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাশ্বতী শীল বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তবে অভিযোগের স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ অভিযোগকারী দেননি। তাকে প্রমাণ দিতে বলা হয়েছে। প্রমাণ পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের জবাবে মাশরাফি

Update Time : ১১:৩৪:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪

নড়াইল সদর উপজেলা নির্বাচনে জাতীয় সংসদের হুইপ ও নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মোর্তজার বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে শনিবার (১৮ মে) সদর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী তোফায়েল মাহমুদ তুফান (ঘোড়া প্রতীক) অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

এ ছাড়া প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান নির্বাচন কমিশনার সচিব, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাচন অফিসার এবং নড়াইল সদর থানার ওসির কাছে অভিযোগটির অনুলিপি দিয়েছেন তিনি।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে বাংলাদেশ সরকারের কোনো মন্ত্রী, হুইপ বা এমপি মহোদয় তার নির্বাচনী এলাকার কোনো উপজেলায় কোনো প্রার্থীর পক্ষে প্রচার চালাতে পারবেন না। কিন্তু মাশরাফি বিন মোর্তজা নড়াইল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আজিমুর রহমান ভূঁইয়ার (আনারস মার্কা) পক্ষে প্রকাশ্যে প্রচার চালাচ্ছেন। যা উপজেলা নির্বাচন আচারণবিধির প্রকাশ্য লংঘন।

তবে অভিযোগের বিষয় নাকচ করে জাতীয় সংসদের হুইপ ও নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মোর্তুজা বলেন, আমি নড়াইলে অবস্থাকালীন সময়ে শুধু নিহত আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শিকদার মোস্তফা কামালের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। ওই বাড়িতে অবস্থানকালীন সময়ে নিহতের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির ব্যাপারে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছি। বাড়ির বাহিরে কোথাও কোনো নেতাকর্মী বা লোকজনের সঙ্গে দেখা পর্যন্ত করিনি।

মাশরাফি আরও বলেন, আমি নিশ্চিত নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোনো প্রমাণ দিতে পারবেন না ওই প্রার্থী। রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়েছে। ওই প্রার্থীর অভিযোগের স্বপক্ষে প্রমাণ দিতে বলা হয়েছে। প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করব।

নড়াইল সদর উপজেলা ও লোহাগড়া উপজেলা নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নড়াইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাশ্বতী শীল বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তবে অভিযোগের স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ অভিযোগকারী দেননি। তাকে প্রমাণ দিতে বলা হয়েছে। প্রমাণ পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।