নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের পরিচালক আব্দুল হাই এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে

  • Update Time : ০৯:১৩:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২০
  • / 342

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের পরিচালক (উপসচিব)  মোহাম্মদ আবদুল হাই পিএএ এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে।

বাংলাদেশ বেসিক গ্র্যাজুয়েট নার্সেস’ সোসাইটি (বিবিজিএনএস) এর সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বাবু এক বিবৃতিতে জানান, নার্সিং পেশার সকল তমসা দূরীকরণের একজন অগ্রনায়ক আব্দুল হাই পিএএ: উনার বিরূদ্ধে করা ষড়যন্ত্র রুখতে হবে।

৩ রা জুন, ২০২০ ইং তারিখে, যুগান্তর পত্রিকায় , “নার্স বদলিতে অনিয়মের অভিযোগ” শিরোনামে একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। আমরা রিপোর্টে দেখতে পাই, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব বরাবর এক চিঠিতে সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর প্রণীত সিনিয়র স্টাফ নার্স বদলির যে নিয়ম-নীতি তার তোয়াক্কা না করে উতকোচ গ্রহণের মাধ্যমে নবনিয়োগকৃত নার্সিং কর্মকর্তাদের সুবিধাজনক স্থানে বদলি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। চিঠিতে আরো উল্লেখ আছে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর এর সম্মানিত মহাপরিচালক সিদ্দিক আক্তার এবং পরিচালক (প্রশাসন, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ) আব্দুল হাই পিএএ উনারা অধিদপ্তরের বদলী সংক্রান্ত নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে নিজেদের সুবিধার্থে অনেককে বদলি করেছেন উৎকোচ গ্রহণ করেছেন।

অপরদিকে আমরা দেখতে পাই, পরিচালক আব্দুল হাই পিএএ, উনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে লাল ফিতার দৌরাত্ম্য ভুলে, অত্যন্ত আন্তরিকতা ও সততার সাথে নার্সদের বেতন ভাতা সমস্যার সমাধান, নিয়মতান্ত্রিকভাবে মানবিক বিবেচনায় বিভিন্ন বদলি সহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহার করে মাত্র কয়েক ঘন্টায় সম্প্রতি ঈদ বোনাস সমস্যার সমাধান করেছেন। একইসাথে উনি নার্সদের বিভিন্ন আবেদনের মাধ্যমে নানাবিধ সমস্যার কথা শোনেন এবং দ্রুততার সাথে এসব সমাধান করেন। এজন্যই উনি নার্সিং কর্মকর্তাদের নিকট একজন অতি প্রিয় যোগ্য-দক্ষ প্রাণবন্ত অভিভাবক হিসেবে ইতোমধ্যেই পরিগণিত হয়েছেন।

সেকারণেই বোধহয় একদল অসাধু স্বার্থান্বেষী মহল যারা কিনা তাদের দালালী, নিয়োগ বাণিজ্য করতে পারছে না পরিচালক মহোদয়ের উপস্থিতিতে; তারাই উনার পিছু লেগেছে এবং তারা চেয়ে থাকে যে উনি যেন অধিদপ্তরে থেকে নার্সদের কল্যাণে কাজ করতে না পারেন। তাদের অপকর্মের পথ সুগম করতেই এই অপপ্রয়াস হতে পারে।

আমরা নার্সিং কর্মকর্তাবৃন্দ বিশ্বাস করি উনার উপস্থিতিতেই নার্সিং পেশার আমূল পরিবর্তন হয়েছে। বেতন ভাতা, নিয়োগ, বিভিন্ন বোনাস, বদলি পদায়ন এর মত সময়গ্রাহি সমস্যাগুলো উনি অত্যন্ত দ্রুততার সাথে আন্তরিকতার সাথে সমাধান করেছেন। উনার উপস্থিতিতে এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলেই আমাদের বিশ্বাস। যত বাধা বিপত্তিই আসুক না কেন বাংলাদেশের সকল নার্সিং কর্মকর্তা উনাকে সত্যিকার অর্থেই নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরে চায় এবং উনার আন্তরিক সেবা গ্রহণ করতে চায়।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের পরিচালক আব্দুল হাই এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে

Update Time : ০৯:১৩:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২০

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের পরিচালক (উপসচিব)  মোহাম্মদ আবদুল হাই পিএএ এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে।

বাংলাদেশ বেসিক গ্র্যাজুয়েট নার্সেস’ সোসাইটি (বিবিজিএনএস) এর সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বাবু এক বিবৃতিতে জানান, নার্সিং পেশার সকল তমসা দূরীকরণের একজন অগ্রনায়ক আব্দুল হাই পিএএ: উনার বিরূদ্ধে করা ষড়যন্ত্র রুখতে হবে।

৩ রা জুন, ২০২০ ইং তারিখে, যুগান্তর পত্রিকায় , “নার্স বদলিতে অনিয়মের অভিযোগ” শিরোনামে একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। আমরা রিপোর্টে দেখতে পাই, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব বরাবর এক চিঠিতে সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর প্রণীত সিনিয়র স্টাফ নার্স বদলির যে নিয়ম-নীতি তার তোয়াক্কা না করে উতকোচ গ্রহণের মাধ্যমে নবনিয়োগকৃত নার্সিং কর্মকর্তাদের সুবিধাজনক স্থানে বদলি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। চিঠিতে আরো উল্লেখ আছে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর এর সম্মানিত মহাপরিচালক সিদ্দিক আক্তার এবং পরিচালক (প্রশাসন, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ) আব্দুল হাই পিএএ উনারা অধিদপ্তরের বদলী সংক্রান্ত নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে নিজেদের সুবিধার্থে অনেককে বদলি করেছেন উৎকোচ গ্রহণ করেছেন।

অপরদিকে আমরা দেখতে পাই, পরিচালক আব্দুল হাই পিএএ, উনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে লাল ফিতার দৌরাত্ম্য ভুলে, অত্যন্ত আন্তরিকতা ও সততার সাথে নার্সদের বেতন ভাতা সমস্যার সমাধান, নিয়মতান্ত্রিকভাবে মানবিক বিবেচনায় বিভিন্ন বদলি সহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহার করে মাত্র কয়েক ঘন্টায় সম্প্রতি ঈদ বোনাস সমস্যার সমাধান করেছেন। একইসাথে উনি নার্সদের বিভিন্ন আবেদনের মাধ্যমে নানাবিধ সমস্যার কথা শোনেন এবং দ্রুততার সাথে এসব সমাধান করেন। এজন্যই উনি নার্সিং কর্মকর্তাদের নিকট একজন অতি প্রিয় যোগ্য-দক্ষ প্রাণবন্ত অভিভাবক হিসেবে ইতোমধ্যেই পরিগণিত হয়েছেন।

সেকারণেই বোধহয় একদল অসাধু স্বার্থান্বেষী মহল যারা কিনা তাদের দালালী, নিয়োগ বাণিজ্য করতে পারছে না পরিচালক মহোদয়ের উপস্থিতিতে; তারাই উনার পিছু লেগেছে এবং তারা চেয়ে থাকে যে উনি যেন অধিদপ্তরে থেকে নার্সদের কল্যাণে কাজ করতে না পারেন। তাদের অপকর্মের পথ সুগম করতেই এই অপপ্রয়াস হতে পারে।

আমরা নার্সিং কর্মকর্তাবৃন্দ বিশ্বাস করি উনার উপস্থিতিতেই নার্সিং পেশার আমূল পরিবর্তন হয়েছে। বেতন ভাতা, নিয়োগ, বিভিন্ন বোনাস, বদলি পদায়ন এর মত সময়গ্রাহি সমস্যাগুলো উনি অত্যন্ত দ্রুততার সাথে আন্তরিকতার সাথে সমাধান করেছেন। উনার উপস্থিতিতে এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলেই আমাদের বিশ্বাস। যত বাধা বিপত্তিই আসুক না কেন বাংলাদেশের সকল নার্সিং কর্মকর্তা উনাকে সত্যিকার অর্থেই নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরে চায় এবং উনার আন্তরিক সেবা গ্রহণ করতে চায়।