দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি দম্পতিকে গুলি করে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : ১২:৪৭:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মার্চ ২০২৪
  • / ৩২ Time View

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি দম্পতিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। অজ্ঞাত অস্ত্রধারীদের গুলিতে নিহত হয়েছেন নোয়াখালী সেনবাগের অর্জুনতলা ইউনিয়নের প্রবাসী মো. মহিন ভূঞা (৩২) ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রুনা আক্তার (২২)।

রোববার (৩ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে আফ্রিকার জোহানের্সবাগে এ ঘটনা ঘটে।

হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেন অর্জুনতলা ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) আব্দুর জব্বার।

তিনি বলেন, গতকাল সন্ধ্যার দিকে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা জোহানের্সবাগে মহিন ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে গুলি করে। ওই সময় স্বামী-স্ত্রী ঘটনাস্থলে মারা যায়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করে। তখন ভাগ্যক্রমে সাথে থাকা তাদের দুই সন্তান বেঁচে যায়। রোববার দিবাগত রাত ২টার দিকে আফ্রিকায় থাকা নিহতের ছোট দুই ভাই বিষয়টি দেশের বাড়িতে জানায়। প্রাথমিকভাবে এর থেকে বেশি কিছু আমরা এখনো জানতে পারেনি। ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শক্রতার জেরে এ ঘটনা ঘটেছে।

নিহতের ছোট ভাই মো. মফিজ ভূঞা বলেন, জীবিকার সন্ধানে আমার বড় ভাই মহিন ২০০৮ সালে প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি জমান। এরপর ছয় বছর আগে তার স্ত্রীকে নিয়ে যান। আমার ভাবী ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। সন্ত্রাসীরা ভাবীসহ আমার বড় ভাইকে গুলি করে হত্যা করেছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি দম্পতিকে গুলি করে হত্যা

Update Time : ১২:৪৭:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মার্চ ২০২৪

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি দম্পতিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। অজ্ঞাত অস্ত্রধারীদের গুলিতে নিহত হয়েছেন নোয়াখালী সেনবাগের অর্জুনতলা ইউনিয়নের প্রবাসী মো. মহিন ভূঞা (৩২) ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রুনা আক্তার (২২)।

রোববার (৩ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে আফ্রিকার জোহানের্সবাগে এ ঘটনা ঘটে।

হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেন অর্জুনতলা ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) আব্দুর জব্বার।

তিনি বলেন, গতকাল সন্ধ্যার দিকে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা জোহানের্সবাগে মহিন ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে গুলি করে। ওই সময় স্বামী-স্ত্রী ঘটনাস্থলে মারা যায়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করে। তখন ভাগ্যক্রমে সাথে থাকা তাদের দুই সন্তান বেঁচে যায়। রোববার দিবাগত রাত ২টার দিকে আফ্রিকায় থাকা নিহতের ছোট দুই ভাই বিষয়টি দেশের বাড়িতে জানায়। প্রাথমিকভাবে এর থেকে বেশি কিছু আমরা এখনো জানতে পারেনি। ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শক্রতার জেরে এ ঘটনা ঘটেছে।

নিহতের ছোট ভাই মো. মফিজ ভূঞা বলেন, জীবিকার সন্ধানে আমার বড় ভাই মহিন ২০০৮ সালে প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি জমান। এরপর ছয় বছর আগে তার স্ত্রীকে নিয়ে যান। আমার ভাবী ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। সন্ত্রাসীরা ভাবীসহ আমার বড় ভাইকে গুলি করে হত্যা করেছে।