ঘূর্ণিঝড় রেমাল: ১৬ জনের মৃত্যু, পৌনে ২ লাখ ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : ০৮:৪২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪
  • / 18

ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে ৭ জেলায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া উপকূলীয় ও এর আশপাশের ১৯টি জেলায় প্রায় পৌনে ২ লাখ ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এর মধ্যে পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে ৪০ হাজার ৩৩৮টি এবং আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৫২৮টি ঘরবাড়ি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স কো–অর্ডিনেশন সেন্টারের দুর্যোগসংক্রান্ত দৈনিক প্রতিবেদনে বুধবার এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

গত রোববার রাতে বাংলাদেশে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় রেমাল। এই ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জলোচ্ছ্বাসে উপকূলের অনেক এলাকা প্লাবিত হয়।

রেমালের পরদিন সোমবার একেবারে প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মুহিববুর রহমান সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে ৩৫ হাজার ৪৮৩ ঘরবাড়ি। এ ছাড়া আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৯২টি ঘরবাড়ি।

দুর্যোগসংক্রান্ত দৈনিক প্রতিবেদনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে খুলনা জেলায়। এই জেলায় ২০ হাজার ৭৬২টি ঘরবাড়ি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে। ১০ হাজার ঘরবাড়ি বাগেরহাটে বিধ্বস্ত হয়েছে। বাকিগুলো অন্যান্য জেলায়।

দুর্যোগসংক্রান্ত দৈনিক প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, এই ঝড়ে দুর্গত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৪৬ লাখ।

প্রসঙ্গত: ঘূর্ণিঝড় রেমালের পর বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে দেশের দুই কোটি ৭০ লাখ গ্রাহক। প্রতিবেশী ভারতেও প্রাণহানির কারণ হয়েছে রেমাল। পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি এলাকায় ঝড়ো বাতাসে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অন্তত ছয়জনের মৃত্যুর খবর দেয় কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

ঘূর্ণিঝড় রেমাল: ১৬ জনের মৃত্যু, পৌনে ২ লাখ ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত

Update Time : ০৮:৪২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪

ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে ৭ জেলায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া উপকূলীয় ও এর আশপাশের ১৯টি জেলায় প্রায় পৌনে ২ লাখ ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এর মধ্যে পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে ৪০ হাজার ৩৩৮টি এবং আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৫২৮টি ঘরবাড়ি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স কো–অর্ডিনেশন সেন্টারের দুর্যোগসংক্রান্ত দৈনিক প্রতিবেদনে বুধবার এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

গত রোববার রাতে বাংলাদেশে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় রেমাল। এই ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জলোচ্ছ্বাসে উপকূলের অনেক এলাকা প্লাবিত হয়।

রেমালের পরদিন সোমবার একেবারে প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মুহিববুর রহমান সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে ৩৫ হাজার ৪৮৩ ঘরবাড়ি। এ ছাড়া আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৯২টি ঘরবাড়ি।

দুর্যোগসংক্রান্ত দৈনিক প্রতিবেদনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে খুলনা জেলায়। এই জেলায় ২০ হাজার ৭৬২টি ঘরবাড়ি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে। ১০ হাজার ঘরবাড়ি বাগেরহাটে বিধ্বস্ত হয়েছে। বাকিগুলো অন্যান্য জেলায়।

দুর্যোগসংক্রান্ত দৈনিক প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, এই ঝড়ে দুর্গত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৪৬ লাখ।

প্রসঙ্গত: ঘূর্ণিঝড় রেমালের পর বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে দেশের দুই কোটি ৭০ লাখ গ্রাহক। প্রতিবেশী ভারতেও প্রাণহানির কারণ হয়েছে রেমাল। পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি এলাকায় ঝড়ো বাতাসে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অন্তত ছয়জনের মৃত্যুর খবর দেয় কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার।