কুতুবদিয়ায় নোঙর ফেলেছে এমভি আবদুল্লাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : ০৮:২৯:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মে ২০২৪
  • / ১৭ Time View

এমভি আবদুল্লাহ ও এর ২৩ নাবিক সোমবার সন্ধ্যায় কুতুবদিয়া চ্যানেলে নোঙর ফেলেছে। সোমালি জলদস্যুদের জিম্মিদশা থেকে মুক্ত হয়ে অবশেষে দেশে ফিরল জাহাজটি।

জাহাজের মালিকপক্ষ কবির গ্রুপের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সন্ধ্যা ছয়টা পর এমভি আবদুল্লাহ কুতু্বদিয়া চ্যানেলে নোঙর করে। তবে জাহাজে থাকা নাবিকরা চট্টগ্রামে ফিরবেন মঙ্গলবার বিকেলে। চট্টগ্রাম বন্দর এলাকার সদরঘাটে কেএসআরএমের জেটিতে তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা দেয়া হবে।

জিম্মি দশা থেকে মুক্ত হয়ে এমভি আবদুল্লাহ সোমালিয়া থেকে গত ২২ এপ্রিল দুবাইয়ের আল হামরিয়া বন্দরে ভেড়ে। সেখানে কয়লা খালাস শেষে ২৭ এপ্রিল মিনা সাকার বন্দরে যায় জাহাজটি।

ওই বন্দর থেকে ৫৬ হাজার টন চুনাপাথর বোঝাই করে রওনা দেয় চট্টগ্রামের উদ্দেশে। এদিন সকালেই বাংলাদেশের জলসীমায় পৌঁছে যায়।

এর আগে জাহাজের মালিক কবির গ্রুপের মিডিয়া এডভাইজার মিজানুল ইসলাম বলেছেন, এমভি আব্দুল্লাহ কুতুবদিয়া পৌঁছে জাহাজে থাকা চুনাপাথর খালাসের জন্য অবস্থান করবে। এরপর জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরের উদ্দেশে রওনা দেবে। সেখানে বাকি মালামাল খালাস করা হবে।

তিনি আরও জানান, জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছালে তাদের গণমাধ্যমের মুখোমুখি করা হবে। তারা সাংবাদিকদের সঙ্গে তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করবেন। আমরা এবং নাবিকদের পরিবার তাদের রিসিভ করবো।

উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ জলদস্যুদের কবলে পড়ে এমভি আবদুল্লাহ। মোজাম্বিক থেকে কয়লা নিয়ে দুবাই যাওয়ার পথে সোমালিয়া উপকূলের ৬০০ নটিক্যাল মাইল দূরে জলদস্যুরা অস্ত্রের মুখে জাহাজ ও ২৩ নাবিককে জিম্মি করে। গত ১৪ এপ্রিল মুক্তিপণ দিয়ে জিম্মিদশা থেকে ২৩ নাবিকসহ জাহাজটি মুক্ত হয়।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

কুতুবদিয়ায় নোঙর ফেলেছে এমভি আবদুল্লাহ

Update Time : ০৮:২৯:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মে ২০২৪

এমভি আবদুল্লাহ ও এর ২৩ নাবিক সোমবার সন্ধ্যায় কুতুবদিয়া চ্যানেলে নোঙর ফেলেছে। সোমালি জলদস্যুদের জিম্মিদশা থেকে মুক্ত হয়ে অবশেষে দেশে ফিরল জাহাজটি।

জাহাজের মালিকপক্ষ কবির গ্রুপের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সন্ধ্যা ছয়টা পর এমভি আবদুল্লাহ কুতু্বদিয়া চ্যানেলে নোঙর করে। তবে জাহাজে থাকা নাবিকরা চট্টগ্রামে ফিরবেন মঙ্গলবার বিকেলে। চট্টগ্রাম বন্দর এলাকার সদরঘাটে কেএসআরএমের জেটিতে তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা দেয়া হবে।

জিম্মি দশা থেকে মুক্ত হয়ে এমভি আবদুল্লাহ সোমালিয়া থেকে গত ২২ এপ্রিল দুবাইয়ের আল হামরিয়া বন্দরে ভেড়ে। সেখানে কয়লা খালাস শেষে ২৭ এপ্রিল মিনা সাকার বন্দরে যায় জাহাজটি।

ওই বন্দর থেকে ৫৬ হাজার টন চুনাপাথর বোঝাই করে রওনা দেয় চট্টগ্রামের উদ্দেশে। এদিন সকালেই বাংলাদেশের জলসীমায় পৌঁছে যায়।

এর আগে জাহাজের মালিক কবির গ্রুপের মিডিয়া এডভাইজার মিজানুল ইসলাম বলেছেন, এমভি আব্দুল্লাহ কুতুবদিয়া পৌঁছে জাহাজে থাকা চুনাপাথর খালাসের জন্য অবস্থান করবে। এরপর জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরের উদ্দেশে রওনা দেবে। সেখানে বাকি মালামাল খালাস করা হবে।

তিনি আরও জানান, জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছালে তাদের গণমাধ্যমের মুখোমুখি করা হবে। তারা সাংবাদিকদের সঙ্গে তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করবেন। আমরা এবং নাবিকদের পরিবার তাদের রিসিভ করবো।

উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ জলদস্যুদের কবলে পড়ে এমভি আবদুল্লাহ। মোজাম্বিক থেকে কয়লা নিয়ে দুবাই যাওয়ার পথে সোমালিয়া উপকূলের ৬০০ নটিক্যাল মাইল দূরে জলদস্যুরা অস্ত্রের মুখে জাহাজ ও ২৩ নাবিককে জিম্মি করে। গত ১৪ এপ্রিল মুক্তিপণ দিয়ে জিম্মিদশা থেকে ২৩ নাবিকসহ জাহাজটি মুক্ত হয়।