কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চুমুকের মালিকসহ চারজন রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : ০৯:১১:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪
  • / 113

গ্রিন কোজি কটেজ নামের ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চা চুমুকের দুই মালিকসহ চারজনের প্রত্যেকের দুদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ নামের ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় করা মামলায় কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চা চুমুকের দুই মালিকসহ চারজনের প্রত্যেকের দুদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
রিমান্ডে নেয়া ব্যক্তিরা হলেন, কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার জিসান, চা চুমুকের মালিক আনোয়ারুল হক ও শাকিল আহমেদ রিমন এবং গ্রিন কোজি কটেজ ভবনের ম্যানেজার হামিমুল হক বিপুল।

পুলিশ শনিবার (২ মার্চ) তাদেরকে আদালতে হাজির করে। এরপর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রমনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনছার মিলটন রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নুরুল হুদা চৌধুরী দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে আগুন লাগে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, এ ঘটনায় ৪৬ জন মারা গেছেন। ১১ জন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

নিহতদের মধ্যে ২০ জন পুরুষ, ১৮ জন নারী ও ৮ জন শিশু। তাদের মধ্যে ৪৩ জনের নাম-পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী ৪০ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শুক্রবার (১ মার্চ) রমনা থানায় অবহেলাজনিত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চুমুকের মালিকসহ চারজন রিমান্ডে

Update Time : ০৯:১১:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪

গ্রিন কোজি কটেজ নামের ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চা চুমুকের দুই মালিকসহ চারজনের প্রত্যেকের দুদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ নামের ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় করা মামলায় কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চা চুমুকের দুই মালিকসহ চারজনের প্রত্যেকের দুদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
রিমান্ডে নেয়া ব্যক্তিরা হলেন, কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার জিসান, চা চুমুকের মালিক আনোয়ারুল হক ও শাকিল আহমেদ রিমন এবং গ্রিন কোজি কটেজ ভবনের ম্যানেজার হামিমুল হক বিপুল।

পুলিশ শনিবার (২ মার্চ) তাদেরকে আদালতে হাজির করে। এরপর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রমনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনছার মিলটন রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নুরুল হুদা চৌধুরী দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে আগুন লাগে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, এ ঘটনায় ৪৬ জন মারা গেছেন। ১১ জন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

নিহতদের মধ্যে ২০ জন পুরুষ, ১৮ জন নারী ও ৮ জন শিশু। তাদের মধ্যে ৪৩ জনের নাম-পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী ৪০ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শুক্রবার (১ মার্চ) রমনা থানায় অবহেলাজনিত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।