করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেলেন শিক্ষা অফিসার

  • Update Time : ০৭:১২:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২০
  • / 326

করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে ভোলার সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবিএম খলিলুর রহমান (৪৯) মারা গেছেন। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ৮টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. কামরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ৬ জুন (শনিবার) এবিএম খলিলুর রহমানের জ্বর ও কাশি হয়। পরে রোববার (৭ জুন) তিনি বরিশালে ডাক্তার দেখাতে যান। এরপর তার শরীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত দুইদিন আগে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে তার করোনা পরীক্ষা করা হয়। তবে রিপোর্ট এখনও আসেনি। এরই মধ্যে মঙ্গলবার সকালে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

শিক্ষা অফিসার মো. কামরুজ্জামান বলেন, এবিএম খলিলুর রহমানের মৃত্যুতে আমরা ভোলা জেলা শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা শোকাহত। তার মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি বড়গুনার তালতলিতে দাফন করা হবে।

ভোলার সিভিল সার্জন ডা. রতন কুমার ঢালী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সকলের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। তাদের সঙ্গে আলাপ করে করোনা টেস্ট করা হবে।

উল্লেখ, এবিএম খলিলুর রহমান এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছিলেন। তার বড় ছেলে মেডিকেলে পড়াশুনা করছেন। আর মেয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থী। তিনি ২০১৪ সালে ভোলার লালমোহনে উপজেলা শিক্ষা অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ওই বছরেই তিনি সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হিসেবে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ভোলায় কর্মরত ছিলেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেলেন শিক্ষা অফিসার

Update Time : ০৭:১২:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২০

করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে ভোলার সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবিএম খলিলুর রহমান (৪৯) মারা গেছেন। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ৮টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. কামরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ৬ জুন (শনিবার) এবিএম খলিলুর রহমানের জ্বর ও কাশি হয়। পরে রোববার (৭ জুন) তিনি বরিশালে ডাক্তার দেখাতে যান। এরপর তার শরীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত দুইদিন আগে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে তার করোনা পরীক্ষা করা হয়। তবে রিপোর্ট এখনও আসেনি। এরই মধ্যে মঙ্গলবার সকালে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

শিক্ষা অফিসার মো. কামরুজ্জামান বলেন, এবিএম খলিলুর রহমানের মৃত্যুতে আমরা ভোলা জেলা শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা শোকাহত। তার মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি বড়গুনার তালতলিতে দাফন করা হবে।

ভোলার সিভিল সার্জন ডা. রতন কুমার ঢালী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সকলের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। তাদের সঙ্গে আলাপ করে করোনা টেস্ট করা হবে।

উল্লেখ, এবিএম খলিলুর রহমান এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছিলেন। তার বড় ছেলে মেডিকেলে পড়াশুনা করছেন। আর মেয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থী। তিনি ২০১৪ সালে ভোলার লালমোহনে উপজেলা শিক্ষা অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ওই বছরেই তিনি সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হিসেবে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ভোলায় কর্মরত ছিলেন।