কবি সুফিয়া কামালের জন্মদিন আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : ০৬:২০:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২০
  • / ২১৪ Time View

 

স্বাধীন বাংলাদেশে নারী জাগরণের অগ্রদূত জননী সাহসিকা কবি বেগম সুফিয়া কামাল। আজ শনিবার প্রগতিশীল সমাজ বিনির্মাণের এই স্বপ্নদ্রষ্টার ১০৯তম জন্মবার্ষিকী ও ১১০তম জন্মদিন। ১৯১১ সালের ২০ জুন তিনি জন্মগ্রহণ করেন। বহুমাত্রিক প্রতিভাদীপ্ত উজ্জ্বল মহীয়সী এই নারী আজীবন মুক্তবুদ্ধির চর্চার পাশাপাশি সাম্প্রদায়িকতা ও মৌলবাদের বিপক্ষে সংগ্রাম করেছেন। সাহিত্য চর্চার সঙ্গে সঙ্গে যে কোন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে-সংগ্রামে রেখেছেন সোচ্চার ভূমিকা। বাংলার প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে ছিল তাঁর আপোসহীন দৃপ্ত পদচারণা। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পক্ষে এবং যাবতীয় অন্যায়, দুর্নীতি ও অমানবিকতার বিরুদ্ধে চিরকালই সোচ্চার ছিলেন তিনি।

সুফিয়া কামালের জন্মদিন উপলক্ষে শুক্রবার বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ, প্রকৃতি, গণতন্ত্র, সমাজ সংস্কার, নারীমুক্তি এবং শিশুতোষ রচনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সুফিয়া কামালের লেখনী আজও পাঠককে আলোড়িত ও অনুপ্রাণিত করে। নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার চিন্তাধারা সুফিয়া কামালের জীবনে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলেছে। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রামসহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে প্র্রত্যক্ষ উপস্থিতি তাকে ‘জননী সাহসিকা’ উপাধিতে অভিষিক্ত করেছে। তাঁর স্মরণে আওয়ামী লীগ সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য ‘বেগম সুফিয়া কামাল হল’ নির্মাণ করে।

প্রতিবছর সুফিয়া কামালের জন্মদিন উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে নেয়া হয় নানা কর্মসূচী। তবে মহামারীর কারণে এবার এই মহীয়সী নারীর জন্মদিন ঘিরে নেই কোন আনুষ্ঠানিকতা। সুফিয়া কামাল ছিলেন ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। সেই সুবাদে কয়েক বছর ধরে নিয়মিতভাবে তাকে উৎসর্গ করে সুফিয়া কামাল স্মারক বর্ষার অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ছায়ানট। এ বছর করোনাভাইরাসের কারণে সেই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে না জানিয়ে সুফিয়া কামালের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ছায়ানটের সাধারণ সম্পাদক লাইসা আহমদ লিসা। প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালের শায়েস্তাবাদের এক অভিজাত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন সুফিয়া কামাল। তখন নারীশিক্ষা ছিল প্রায় দুঃসাধ্য কল্পনা। তাঁর বাবা সৈয়দ আবদুল বারী ছিলেন একজন আইনবিদ। মা সাবেরা বেগমের কাছে পড়তে শেখেন তিনি। মাত্র বারো বছর বয়সে সৈয়দ নেহাল হোসেনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। সাহিত্যপাঠে ছিল স্বামীর অনুপ্রেরণা, যা তাঁকে পরবর্তীতে সাহিত্য রচনায় উদ্বুদ্ধ করে তোলে। ১৯২৩ সালে রচনা করেন প্রথম গল্প ‘সৈনিক বধূ’। এটি প্রকাশিত হয় বরিশালের তরুণ পত্রিকায়। ১৯২৬ সালে সওগাত পত্রিকায় প্রকাশিত হয় প্রথম কবিতা বাসন্তী। তিনি ছিলেন বেগম পত্রিকার প্রথম সম্পাদক। ১৯২৯ সালে তিনি বেগম রোকেয়ার ‘আঞ্জুমান-ই-খাওয়াতিন-ই-ইসলাম’ এ যোগ দেন। এ সময় বেগম রোকেয়ার আদর্শ তাকে আলোড়িত করে। ১৯৩১ সালে তিনি মুসলিম মহিলাদের মধ্যে প্রথম ইন্ডিয়ান মহিলা ফেডারেশনের সদস্য নির্বাচিত হন।

সুফিয়া কামাল ১৯৩২ থেকে ১৯৪১ সাল পর্যন্ত কলকাতা কর্পোরেশন প্রাইমারী স্কুলে শিক্ষকতা করেন। ত্রিশের দশকে কলকাতায় থাকার সময় রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, শরৎচন্দ্র ও বেগম রোকেয়ার মতো দিকপালদের সান্নিধ্য পান তিনি। ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘সাঁঝের মায়া’। এই কাব্যগ্রন্থে ভূমিকা লিখেছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম। বাড়তি প্রাপ্তি হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রশংসা। তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থগুলো- সাঁঝের মায়া, মায়া কাজল, মন ও জীবন, শান্তি ও প্রার্থনা, উদাত্ত পৃথিবী, দিওয়ান, মোর জাদুদের সমাধি পরে। গল্পগ্রন্থ ‘কেয়ার কাঁটা’। ভ্রমণকাহিনী ‘সোভিয়েত দিনগুলি’। স্মৃতিকথা ‘একাত্তুরের ডায়েরি’। সুফিয়া কামাল ৫০টির বেশি পুরস্কার পেয়েছেন। এর মধ্যে বাংলা একাডেমী, সোভিয়েত লেনিন, একুশে পদক, বেগম রোকেয়া পদক, জাতীয় কবিতা পুরস্কার, স্বাধীনতা দিবস পদক উল্লেখযোগ্য।

প্রথম স্বামীর মৃত্যুর পর ১৯৩৯ সালে কামালউদ্দীন আহমেদের সঙ্গে সংসার শুরু করেন সুফিয়া কামাল। ১৯৪৭ সালে তিনি সপরিবারে ঢাকায় চলে আসেন। এর মাঝে বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার দাবিতে শুরু হয় আন্দোলন। ১৯৫৬ সালে প্রতিষ্ঠা করেন শিশুদের সংগঠন ‘কচিকাঁচার মেলা’। ১৯৬১ সালে পাকিস্তান সরকারের রবীন্দ্রসঙ্গীত নিষিদ্ধ করার বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা আন্দোলনের অগ্রভাগে ছিলেন তিনি। এ সময় একদল তরুণের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে গঠন করেন সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট। যার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিও ছিলেন তিনি। ১৯৬৯ সালে মহিলা সংগ্রাম কমিটির সভাপতি সুফিয়া কামাল অংশ নেন গণঅভ্যুত্থানে। বর্জন করেন পাকিস্তান সরকারের দেয়া ‘তমঘা-ই-ইমতিয়াজ’ খেতাব। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে গেছেন অকুতোভয় সহযোগিতা।

১৯৯৯ সালের ২০ নবেম্বর মৃত্যুবরণ করেন সুফিয়া কামাল। তাকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়। বাংলাদেশে নারীদের মধ্যে তিনিই প্রথম এই সম্মান লাভ করেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

কবি সুফিয়া কামালের জন্মদিন আজ

Update Time : ০৬:২০:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২০

 

স্বাধীন বাংলাদেশে নারী জাগরণের অগ্রদূত জননী সাহসিকা কবি বেগম সুফিয়া কামাল। আজ শনিবার প্রগতিশীল সমাজ বিনির্মাণের এই স্বপ্নদ্রষ্টার ১০৯তম জন্মবার্ষিকী ও ১১০তম জন্মদিন। ১৯১১ সালের ২০ জুন তিনি জন্মগ্রহণ করেন। বহুমাত্রিক প্রতিভাদীপ্ত উজ্জ্বল মহীয়সী এই নারী আজীবন মুক্তবুদ্ধির চর্চার পাশাপাশি সাম্প্রদায়িকতা ও মৌলবাদের বিপক্ষে সংগ্রাম করেছেন। সাহিত্য চর্চার সঙ্গে সঙ্গে যে কোন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে-সংগ্রামে রেখেছেন সোচ্চার ভূমিকা। বাংলার প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে ছিল তাঁর আপোসহীন দৃপ্ত পদচারণা। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পক্ষে এবং যাবতীয় অন্যায়, দুর্নীতি ও অমানবিকতার বিরুদ্ধে চিরকালই সোচ্চার ছিলেন তিনি।

সুফিয়া কামালের জন্মদিন উপলক্ষে শুক্রবার বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ, প্রকৃতি, গণতন্ত্র, সমাজ সংস্কার, নারীমুক্তি এবং শিশুতোষ রচনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সুফিয়া কামালের লেখনী আজও পাঠককে আলোড়িত ও অনুপ্রাণিত করে। নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার চিন্তাধারা সুফিয়া কামালের জীবনে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলেছে। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রামসহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে প্র্রত্যক্ষ উপস্থিতি তাকে ‘জননী সাহসিকা’ উপাধিতে অভিষিক্ত করেছে। তাঁর স্মরণে আওয়ামী লীগ সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য ‘বেগম সুফিয়া কামাল হল’ নির্মাণ করে।

প্রতিবছর সুফিয়া কামালের জন্মদিন উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে নেয়া হয় নানা কর্মসূচী। তবে মহামারীর কারণে এবার এই মহীয়সী নারীর জন্মদিন ঘিরে নেই কোন আনুষ্ঠানিকতা। সুফিয়া কামাল ছিলেন ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। সেই সুবাদে কয়েক বছর ধরে নিয়মিতভাবে তাকে উৎসর্গ করে সুফিয়া কামাল স্মারক বর্ষার অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ছায়ানট। এ বছর করোনাভাইরাসের কারণে সেই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে না জানিয়ে সুফিয়া কামালের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ছায়ানটের সাধারণ সম্পাদক লাইসা আহমদ লিসা। প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালের শায়েস্তাবাদের এক অভিজাত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন সুফিয়া কামাল। তখন নারীশিক্ষা ছিল প্রায় দুঃসাধ্য কল্পনা। তাঁর বাবা সৈয়দ আবদুল বারী ছিলেন একজন আইনবিদ। মা সাবেরা বেগমের কাছে পড়তে শেখেন তিনি। মাত্র বারো বছর বয়সে সৈয়দ নেহাল হোসেনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। সাহিত্যপাঠে ছিল স্বামীর অনুপ্রেরণা, যা তাঁকে পরবর্তীতে সাহিত্য রচনায় উদ্বুদ্ধ করে তোলে। ১৯২৩ সালে রচনা করেন প্রথম গল্প ‘সৈনিক বধূ’। এটি প্রকাশিত হয় বরিশালের তরুণ পত্রিকায়। ১৯২৬ সালে সওগাত পত্রিকায় প্রকাশিত হয় প্রথম কবিতা বাসন্তী। তিনি ছিলেন বেগম পত্রিকার প্রথম সম্পাদক। ১৯২৯ সালে তিনি বেগম রোকেয়ার ‘আঞ্জুমান-ই-খাওয়াতিন-ই-ইসলাম’ এ যোগ দেন। এ সময় বেগম রোকেয়ার আদর্শ তাকে আলোড়িত করে। ১৯৩১ সালে তিনি মুসলিম মহিলাদের মধ্যে প্রথম ইন্ডিয়ান মহিলা ফেডারেশনের সদস্য নির্বাচিত হন।

সুফিয়া কামাল ১৯৩২ থেকে ১৯৪১ সাল পর্যন্ত কলকাতা কর্পোরেশন প্রাইমারী স্কুলে শিক্ষকতা করেন। ত্রিশের দশকে কলকাতায় থাকার সময় রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, শরৎচন্দ্র ও বেগম রোকেয়ার মতো দিকপালদের সান্নিধ্য পান তিনি। ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘সাঁঝের মায়া’। এই কাব্যগ্রন্থে ভূমিকা লিখেছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম। বাড়তি প্রাপ্তি হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রশংসা। তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থগুলো- সাঁঝের মায়া, মায়া কাজল, মন ও জীবন, শান্তি ও প্রার্থনা, উদাত্ত পৃথিবী, দিওয়ান, মোর জাদুদের সমাধি পরে। গল্পগ্রন্থ ‘কেয়ার কাঁটা’। ভ্রমণকাহিনী ‘সোভিয়েত দিনগুলি’। স্মৃতিকথা ‘একাত্তুরের ডায়েরি’। সুফিয়া কামাল ৫০টির বেশি পুরস্কার পেয়েছেন। এর মধ্যে বাংলা একাডেমী, সোভিয়েত লেনিন, একুশে পদক, বেগম রোকেয়া পদক, জাতীয় কবিতা পুরস্কার, স্বাধীনতা দিবস পদক উল্লেখযোগ্য।

প্রথম স্বামীর মৃত্যুর পর ১৯৩৯ সালে কামালউদ্দীন আহমেদের সঙ্গে সংসার শুরু করেন সুফিয়া কামাল। ১৯৪৭ সালে তিনি সপরিবারে ঢাকায় চলে আসেন। এর মাঝে বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার দাবিতে শুরু হয় আন্দোলন। ১৯৫৬ সালে প্রতিষ্ঠা করেন শিশুদের সংগঠন ‘কচিকাঁচার মেলা’। ১৯৬১ সালে পাকিস্তান সরকারের রবীন্দ্রসঙ্গীত নিষিদ্ধ করার বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা আন্দোলনের অগ্রভাগে ছিলেন তিনি। এ সময় একদল তরুণের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে গঠন করেন সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট। যার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিও ছিলেন তিনি। ১৯৬৯ সালে মহিলা সংগ্রাম কমিটির সভাপতি সুফিয়া কামাল অংশ নেন গণঅভ্যুত্থানে। বর্জন করেন পাকিস্তান সরকারের দেয়া ‘তমঘা-ই-ইমতিয়াজ’ খেতাব। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে গেছেন অকুতোভয় সহযোগিতা।

১৯৯৯ সালের ২০ নবেম্বর মৃত্যুবরণ করেন সুফিয়া কামাল। তাকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়। বাংলাদেশে নারীদের মধ্যে তিনিই প্রথম এই সম্মান লাভ করেন।