একীভূত লাইসেন্স পেল গ্রামীণফোন-রবি-টেলিটক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : ১১:১৯:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মার্চ ২০২৪
  • / ৪৪ Time View

দেশের তিন মোবাইল অপারেটরের অনুকূলে একীভূত লাইসেন্স হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এখন থেকে একই লাইসেন্সের আওতায় ফাইভজিসহ সব ধরনের ওয়্যারলেস মোবাইল সেবা দিতে পারবে অপারেটররা।

এই তিন অপারেটর হলো- টেলিটক, গ্রামীণফোন এবং রবি আজিয়াটা।

সোমবার (১১ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওস্থ বিটিআরসি ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

লাইসেন্স একীভূতকরণের ফলে গ্রামীণফোন, টেলিটক ও রবি পূর্বের টু-জি, থ্রি-জি, ফোর-জি প্রযুক্তি এবং তরঙ্গ ফি’র জন্য আলাদা লাইসেন্স এবং নির্দেশিকার পরিবর্তে সব বিষয়কে এক লাইসেন্সের আওতায় আনা হয়েছে।

ফলে আধুনিক উচ্চগতির ইন্টারনেট পাবে মোবাইল অপারেটররা। প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিকে বাদ দিয়ে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করে স্বনির্ভর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়া সরকারের লক্ষ্য।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

একীভূত লাইসেন্স পেল গ্রামীণফোন-রবি-টেলিটক

Update Time : ১১:১৯:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মার্চ ২০২৪

দেশের তিন মোবাইল অপারেটরের অনুকূলে একীভূত লাইসেন্স হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এখন থেকে একই লাইসেন্সের আওতায় ফাইভজিসহ সব ধরনের ওয়্যারলেস মোবাইল সেবা দিতে পারবে অপারেটররা।

এই তিন অপারেটর হলো- টেলিটক, গ্রামীণফোন এবং রবি আজিয়াটা।

সোমবার (১১ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওস্থ বিটিআরসি ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

লাইসেন্স একীভূতকরণের ফলে গ্রামীণফোন, টেলিটক ও রবি পূর্বের টু-জি, থ্রি-জি, ফোর-জি প্রযুক্তি এবং তরঙ্গ ফি’র জন্য আলাদা লাইসেন্স এবং নির্দেশিকার পরিবর্তে সব বিষয়কে এক লাইসেন্সের আওতায় আনা হয়েছে।

ফলে আধুনিক উচ্চগতির ইন্টারনেট পাবে মোবাইল অপারেটররা। প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিকে বাদ দিয়ে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করে স্বনির্ভর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়া সরকারের লক্ষ্য।